অসচ্ছল মানুষের পাশে নাজমুল ইসলাম

এ আল মামুন এ আল মামুন

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ৬:০৪ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ৭, ২০২০ | আপডেট: ৬:০৪:পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ৭, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বজুড়ে নভেল করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ছে মানুষ। অন্য সব লড়াই হাতে হাত রেখে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে করতে হলেও এ লড়াই একটু ভিন্ন রকম। ছোঁয়াচে এ রোগের বিস্তার ঠেকাতে হলে সামাজিক দুরত্বের বিকল্প নেই। তাই এ লড়াইয়ের একটাই স্লোগান ‘ঘরে থাকুন, নিরাপদে থাকুন’। প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস নিয়ে সরকার ও প্রশাসন নানানভাবে মানুষকে সচেতন করে যাচ্ছেন।

ইতোমধ্যে অনেকে নিজেদের জায়গা থেকে সাধারণ জনগণকে সচেতন করছেন। আবার অনেকেই রাস্তায় নেমে পাশে দাঁড়িয়েছেন সাধারণ মানুষের। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে জরুরি প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া নিষেধ। এ অবস্থায় দিনমজুর হিসেবে যাঁরা কাজ করেন, তাঁরা পড়েছেন বিপাকে। কারণ, তাঁরা প্রতিদিন যে টাকা পান, তা দিয়ে চলে সংসার। না খেয়ে থাকার মতো অবস্থা হয়েছে তাঁদের। এই সমস্ত মানুষদের সহযোগিতার মানবসেবার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন নাজমুল ইসলাম। তিনি তার সামর্থ অনুযায়ী সহযোগিতা করছেন।

নাজমুল ইসলাম বাংলাদেশ পুলিশের গর্বিত একজন সদস্য। বর্তমানে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন ‘সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম বিভাগের’ অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) হিসেবে। নিজের অর্পিত দায়িত্বের পরেই তিনি সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করছেন।

করোনা ভাইরাসের কারণে অসহায় মানুষদের সাহয্য করে যাচ্ছেন। তিনি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষকে এই সঙ্কটময় সময়ে খাদ্য দ্রব্য দিয়ে সহযোগিতা করছেন। গেল কয়েকদিন তিনি তার সামথ্য অনুযায়ী মগবাজারের আশেপাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন। পর্যায়ক্রমে এসকল অসহায় মানুষদের সহযোগিতা করে যাবেন তিনি। এছাড়া আগামী সপ্তাহে শতাধিক মানুষকে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিবেন বলেও জানান। এর আগে তিনি নববর্ষের উৎসব ভাতা করোনা প্রতিরোধে সরকারি তহবিলে প্রদানের জন্য ঘোষণা করেন। এছাড়াও নিজেরায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে খাবার সংগ্রহ করে মানুষকে বিতরণ করছে পুলিশের কয়েকটি ইউনিট।

‘সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম বিভাগের’ অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘ক্ষুদ্র বা বৃহৎ যে পরিসরেই হোক না, ‘শো অফ’ চলুক, সহযোগিতাও চলুক! বাংলাদেশ তথা সারা বিশ্ব ঘুরে দাঁড়াবে!!’

তিনি বলেন, দেশের এই সঙ্কটময় সময়ে প্রত্যেকের উচিৎ তাদের নিজ নিজ জায়গা থেকে সহযোগিতা করা। যদি এই সময়ে বিত্তবানরা এগিয়ে আসেন তবে অবশ্যই নিম্ন আয়ের মানুষগুলো করোনা সঙ্কটে সরকারি আইন মেনে থাকতে পারবেন। সাধারণ মানুষদের সহযোগিতা করার পাশাপাশি বিভিন্নভাবে সচেতন করছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ লিফলেট বিতরণসহ নানা সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তিনি।