ডিএফপিভুক্ত আঞ্চলিক পত্রিকায় সরকারী প্রণোদনার দাবিতে ‘বিএএসপি’র আবেদন

প্রকাশিত: ৫:১০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৬, ২০২০ | আপডেট: ৫:১০:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৬, ২০২০

করোনার কারণে মফস্বলের সরকারি মিডিয়া তালিকাভুক্ত ২৯৭টি দৈনিক সংবাদপত্রকে সরকারি প্রণোদনার দাবি জানিয়ে আবেদন করেছে বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদপত্র পরিষদ (বিএএসপি)। প্রধানমন্ত্রী বরাবরে করা এ আবেদনে তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
গত ২এপ্রিল এ আবেদন করা হয়েছে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব ও ঝালকাঠি থেকে প্রকাশিত দৈনিক শতকণ্ঠ সম্পাদক জাহাঙ্গির হোসেন মন্জু এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ‘করোনা ভাইরাস’র কারণে মফস্বলের সরকারি মিডিয়া তালিকাভুক্ত ২৯৭টি দৈনিক সংবাদপত্র অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতির সম্মুখিন। এ সকল সংবাদপত্রের কর্মচারীবৃন্দ করোনা ঝুঁকি এড়াতে সরকারি নির্দেশনা মেনে বাড়ীতে অবস্থান করছে। চলমান পরিস্থিতিতে তাদের কর্মস্থলে আসতে বলা সমিচিন নয় বলে আবেদনে উলে­খ করা হয়েছে।
চলমান দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে দেশের প্রায় সকল জেলার সংবাদপত্র হকার্স ইউনিয়ন/সমিতি সংগঠনের সদস্যদের (হকার) নিরাপত্তার স্বার্থে এবং অনেক পাঠক-গ্রাহকের আপত্তির কারণে পত্রিকা বিপণন ও সরবরাহ থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়েছে। এ ঘোষণায় সংবাদপত্র বিলি-বণ্টন করা যাচ্ছে না। অবস্থার প্রেক্ষিতে আঞ্চলিক/স্থানীয় সংবাদপত্রের মালিক সম্পাদকগণকে সংবাদপত্রসেবীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হয়েছে। তবে পত্রিকাগুলো অনলাইন সংস্করণে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।
এ পরিবেশ পরিস্থিতির কারণে মফস্বলের দৈনিক সংবাদপত্রের মুদ্রণ, সার্কুলেশন ও বিজ্ঞাপনে চরম সংকট সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি বিজ্ঞাপন বর্তমান বন্ধ। বাণিজ্যিক অচলাবস্থা বিরাজ করছে। অর্থনৈতিকভাবে চরম ক্ষতির সম্মুখিন এ সকল সংবাদপত্র। সাংবাদিক, কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা, পত্রিকা প্রকাশনার কাজে প্লেট, কাগজ, কালি ও ট্রেসিং, ক্রয় করা এবং অফিস ভাড়া ও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। নানা প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হচ্ছে সংবাদপত্রগুলোকে।
করোনা ভাইরাসের কারণে মফস্বলের ২৯৭টি সরকারি মিডিয়া তালিকাভুক্ত দৈনিক সংবাদপত্রের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে সরকারি বিশেষ প্রণোদনা দেয়ার দাবি জানাচ্ছে বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাপত্র পরিষদ (বিএএসপি)। পাশাপাশি সরকারি বিজ্ঞাপনের ও ক্রোড়পত্রের বকেয়া বিল সত্তর পরিশোধের ব্যবস্থা গ্রহণেও প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।