চীনের পর করো’নায় আক্রান্ত মৃ’তদের পুড়িয়ে ফেলছে ইতালিও

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৭:২৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ২০, ২০২০ | আপডেট: ১০:৪৫:পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২১, ২০২০

প্রা’ণঘাতী করো’না ভাই’রাস সংক্রমণে ইতালিতে প্রথম মৃ’ত্যুটি ঘটেছিল গত ২১ ফেব্রুয়ারিতে, তখন চীনে মৃ’তের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৩০০ এর বেশি। চীনে ক্রমান্বয়ে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটলেও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ইউরোপের দেশটি। প্রথম মৃ’ত্যুর এক মাস না গড়ানোর আগেই ইতালিতে মৃ’তের সংখ্যা ছাপিয়ে গেছে চীনকে। অথচ ইতালিতে প্রথম মৃ’ত্যু ঘটেছিল চীনে মৃ’ত্যুর দেড় মাসের বেশি সময় পরে।

এদিকে দেশটিতে মৃ’তের সংখ্যা এত বেশি হয়েছে যে এখন কবরস্থানগুলোতেও দাফনের জায়গা হচ্ছে না তাদের। আর তাই ম’রদেহগুলো পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্যই জানা গেছে।

তাদের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, কবর দেয়ার স্থান সংকুলান না হওয়ায় গত বুধবার রাতে ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় লোম্বার্ডির বারগামোর শহরের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয় শত শত কফিন। এতে ব্যবহার করা হয় সে’নাবাহিনীর ১৫টি ট্রাক। এসব ট্রাকে করে শহরের একটি কবরস্থান থেকে দাফনের জন্য অন্য অঞ্চলে নেয়া হচ্ছে করো’না আক্রান্তদের ম’রদেহ।

এদিকে ট্রাকে করে ম’রদেহ সরানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক ইতালিয় এই ভিডিওকে ‘দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে করুণ ছবি’ বলে অ’ভিহিত করেছেন।

এ ব্যাপারে ইতালি লোম্বার্ডি অঞ্চলের ব্রেসকিয়া শহরের চিয়ারি হাসপাতা’লের পরিচালক জিন পিয়েরে রাম্পোনি বলেন, ‘আম’রা চীনের ছবিগুলো দেখে মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম তবে এমন চিত্র ভ’য়াবহ চিত্র দেখবো সেটি ভাবিনি।’

ইতালির বারগামো শহরের মেয়র গিয়োরগিয়ো গোরি বলেন, ‘মৃ’তের আসল সংখ্যা আরো বেশি কারণ করো’নার লক্ষণ নিয়ে মা’রা যাওয়া অনেক মৃ’তের শরীরে ভাই’রাসের পরীক্ষা করা হয়নি।’

বারগামো শহরের মেয়র আরো বলেন, ‘২৪ ঘণ্টাই ম’রদেহ পুড়ানো হচ্ছে, একদিনে ২৫টির মতো ম’রদেহ পুড়ানো যায়। পুড়ানোর পর ছাইগুলো আবার যে এলাকা ম’রদেহ থেকে এসেছে সেখানে ফিরিয়ে দেয়া হবে।’