করো’না আসলে চীনের তৈরি জৈব অ’স্ত্র, দাবি মা’র্কিন অধ্যাপকের

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১১:৪৯ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৬, ২০২০ | আপডেট: ১১:৪৯:অপরাহ্ণ, মার্চ ১৬, ২০২০

প্রা’ণঘাতী করো’নাভাই’রাসে বিশ্বে ৬ হাজার ৬৪৪ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। এরইমধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯০৬ জন। চীন ছাড়াও ইতালি, ই’রান, স্পেনসহ ইউরোপের একাধিক দেশে করো’নায় কার্যত বি’ধ্বস্ত জনজীবন। সর্বত্রই গৃহব’ন্দি থাকার নির্দেশ দিচ্ছে প্রশাসন।

মহামা’রী আখ্যা দিয়ে করো’না মোকাবিলায় নেমেছে দেশগুলো। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে প্রচার করা হচ্ছে স্বাস্থ্য সতর্কতা। বিশ্বব্যাংকও আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছে। এরইমধ্যে ‘জিওপলিটিক্স অ্যান্ড এমপায়ার’ এ দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মা’র্কিন অধ্যাপক ফ্রান্সিস বয়েলের দাবি, ‘করো’না আসলে চীনের তৈরি একটি জৈব অ’স্ত্র এবং যা তৈরি হয়েছে বায়োসেফটি লেভেল ফোর ল্যাবরেটরিতে।’

ওই গবেষক জানান, চীনের এই জৈব অ’স্ত্র নির্মাণের খবর অজানা নয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থারও। তারা জানতো, চীনে এমন ‘বায়োলজিক্যাল ওয়েপন’ তৈরি করছে, এমনই বি’স্ফো’রক দাবি ফ্রান্সিস বয়েলের।

তিনি আরো জানান, চীন এই মা’রাত্মক এবং আক্রামণাত্মক জৈব অ’স্ত্র দ্বৈত ব্যবহারের জন্যই তৈরি করেছে। আর সেকারণেই করো’নাভাই’রাসের বিষয়টি যথাসম্ভব ধামাচাপা দেয়ারও চেষ্টা করছে চীন। সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে কমিউনিস্ট দেশের পক্ষে। এখানেই শেষ নয়। সামুদ্রিক খাবারের বাজার থেকে এই ভাই’রাস ছড়িয়েছে বলে যে খবর গোটা বিশ্বে সম্প্রচারিত হয়েছে, তাও নস্যাৎ করে দিয়েছেন তিনি। কোনও বাজার তো নয়ই এমনকি কোনও পশুপাখির থেকেও এই ভাই’রাস ছড়িয়ে পড়ার খবর হলপ করে কেউ বলতে পারছে না। আর সেকারণেই করো’না ভাই’রাসের উৎপত্তি নিয়ে প্রশ্ন আরও বড় হচ্ছে।

ফ্রান্সিস বয়েলের সঙ্গে কার্যত সহমত হয়েই লেখক জে আর নিকোয়েস্টও একই দাবি করেছেন। তিনি বলেন, কানাডা থেকে করো’নাভাই’রাস চু’রি করে চীন এটাকে মা’রণাস্ত্রে পরিণত করেছে।

ড. বয়েলেরও দাবি ছিল, কানাডায় উইনিপেগের যে ল্যাবে করো’না নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছিল, সেখানে ছিলেন চীনা এজেন্টরা। তারাই ওই ল্যাব থেকে এই ভাই’রাস পাচার করে।