জেএসসিতে কুমিল্লা বোর্ডে সব সূচকেই বিপর্যয়

প্রকাশিত: ৭:২৮ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩০, ২০১৭ | আপডেট: ৭:২৮:অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩০, ২০১৭
জেএসসিতে কুমিল্লা বোর্ডে সব সূচকেই বিপর্যয়

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে গত পাঁচ বছরের মধ্যে জেএসসি পরীক্ষায় এবার সব সূচকেই ফল বিপর্যয় ঘটেছে। যে কারণে অন্যান্য বোর্ডের চাইতে জেএসসি পরীক্ষার পাসের হার ও জিপিএ-৫ এ পিছিয়ে কুমিল্লা। ফলাফল খারাপ করার কারণ বের কারতে একটি তদন্ত কমিটি করেছে বোর্ড।

এবার এ বোর্ডে পাসের হার ৬২.৮৩ শতাংশ। গত বছর ছিল ৮৯.৬৮ শতাংশ। এ বছর ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৫৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৪৫৬ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৮ হাজার ৮৭৫ জন। পাসের হার, জিপিএ-৫ কমেছে, কমেছে শতভাগ পাশ প্রতিষ্ঠান, গত পাঁচ বছরের মধ্যে এবারই শতভাগ ফেল করেছে একটি প্রতিষ্ঠান।

কুমিল্লা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল ছালাম  বলেন, এবারও কুমিল্লা বোর্ডে ইংরেজি ও গণিতে খারাপ ফল এসেছে। ইংরেজিতে ৩৯ দশমিক ৩০ শতাংশ ও গণিতে ১৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় কুমিল্লা বোর্ডের ফলে ধ্স নেমেছে।মফস্বলের চাইতে শহরের শিক্ষার্থীরা ভালো করেছে। শহরের স্কুলগুলোতে ভালো মানের শিক্ষক থাকায় এমন চিত্র তৈরি হয়েছে। এক স্কুলের শিক্ষকদের অন্য স্কুলে পরীক্ষার পরিদর্শনের দায়িত্ব দেয়াটাও ফল খাপার হওয়ার একটি কারণ হতে পারে।

ফলাফল ঘোষণা করে উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. বাহাদুর হোসেন জানান, এ বছর ৬১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। শূন্য পাসের হার একটি প্রতিষ্ঠান কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জগতপুর উচ্চ বিদ্যালয়, নয়জন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছে।

তিনি আরও জানান, ইংরেজি ও গণিতে বেশি পরীক্ষার্থী ফেল করায় এ বছর পাসের হার কমেছে। এ বছর ইংরেজিতে ফেল করেছে ৭৬ হাজার ৬৮১ জন এবং গণিতে ফেল করেছে ৪৫ হাজার ৯১৫ জন।

মোহাম্মদ আব্দুল ছালাম বলেন, নকলমুক্ত পরীক্ষা আয়োজন করাটাই ছিলো আমাদের মূল লক্ষ্য। সে বিষয়ে আমরা সফল হয়েছি। তবে ফল খারাপ হওয়ার কারণ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। বোর্ডের কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের সমন্বয়ে এ কমিটি গঠন করা হবে। ফল খারাপ হওয়ার কারণগুলো খতিয়ে দেখে তা সমাধানে কাজ করবে কুমিল্লা বোার্ড।