সরদার শাহআলম সভাপতি \ পনির সম্পাদক ‘রাজাকারদের নাগরিকত্ব দিয়ে দেশকে নব্য পাকিস্তান বানাতে চেয়েছিলো জিয়া’ –আমির হোসেন আমু এমপি

প্রকাশিত: ৫:১৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯ | আপডেট: ৫:১৫:অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯

‘ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে রাজনীতিকে কলুষিত করেছে জিয়া’ মন্তব্য করে আয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য, শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, আমির হোসেন আমু এমপি বলেছেন, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হয়ে রাজনীতি শুরু করেন। নাগরিকত্ব না থাকা গোলাম আজমকে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে এনে নাগরিকত্ব দেন। তিনি দেশকে নব্য পাকিস্তান গড়ার পায়তারা চালিয়ে যান। দেশের ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করে ছাত্রদল গঠন করে ছাত্র রাজনীতি শুরু করে তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দেন। শিাঙ্গনে ছাত্রদের সন্ত্রাসী ভূমিকার কারণে শিাবর্ষে সেশন জট শুরু হয়। ঝালকাঠি জেলা আওয়ামীলীগের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন। এমপি আমু আরো বলেন, ১৯৮৭ সালে সৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শেখ হাসিনাকে ল্য করে ছোড়া গুলিতে নুর হোসেন শহীদ হন। শেখ হাসিনা মতায় এসে দেশকে সমৃদ্ধশালী করেছেন। তাকে হত্যা করার জন্য ৩৭ বার ষড়যন্ত্র করা হয়। সকল েেত্রই তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র বিফল হয়। কারণ তিনি দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করায় দেশবাসীর দোয়ায় তিনি অত রয়েছে। শেখ হাসিনা মতায় আসার পরে দীর্ঘ ১১ বছর বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে উন্নিত করার লে জিডিটাল কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে দেশকে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে নিয়ে গেছে। তিনি বিভিন্নভাবে ৩৭ টি পদক অর্জন করেছেন। বিবিসির জরিপে বঙ্গবন্ধুকে শ্রেষ্ঠ বাঙালী উপাধি দেয়া হয়েছিলো। তার কণ্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাও বিশ্বের তৃতীয় মতাধর নারী হিসেবে অভিহিত হয়েছেন। ১ বছর পূর্বে পূনরায় মতায় এসে শেখ হাসিনা দূর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছে এবং নির্বাচনী ইস্তিহার অনুযায়ী ইতিমধ্যেই শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছে। যারা নৌকা নিয়ে বিজয়ী হয়ে নৌকার তলা ফুটো (ছিদ্র) করতে তৃণমূলে অবস্থান নিয়েছেন আওয়ামীলীগে তাঁদের কোন স্থান হবে না। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের এই অগ্রগতির পথে দলকে সুসংহত ও সুশৃঙ্খল ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যাতে আগামী দিনের মধ্যে উন্নত দেশের কাতারে বাংলাদেশকে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে দল অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।
ঝালকাঠি শিশু পার্ক মুক্ত মঞ্চে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় জেলা আওয়ামীলীগের এ ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ আফম বাহাউদ্দিন নাসিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন ও কেন্দ্রীয় সদস্য গোলাম রব্বানী চিনু।
জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার মোঃ শাহ আলমের সভাপতিত্বে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক রিপোর্ট ও শোক প্রস্তাব পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. খান সাইফুল­াহ পনির।
দ্বিতীয় অধিবেশনে কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে পুনরায় সরদার মোঃ শাহ আলমকে সভাপতি ও আলহাজ্ব এ্যাড. খান সাইফুল­াহ পনিরকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কাউন্সিল অধিবেশনের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সাথে সাথে জাতীয় ও দলীয় পাতাকা উত্তোলন, কাউন্সিল সম্বলিত লোগোতে বেলুন এবং শান্তির প্রতিক সাদা পায়রা উড়ানো হয়।