রাজীব মণি দাসের “মামলা বাজ” এর কবলে শিশির ও হাসান

এ আল মামুন এ আল মামুন

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯ | আপডেট: ৩:০১:অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯

বিনোদন ডেস্কঃ স্বপ্নের কারিগর-এর ব্যানারে নির্মিত হলো একক নাটক ‘মামলা বাজ’। নাটকটি রচনা করেছেন রাজীব মণি দাস ও পরিচালনায় হারুন রুশো। নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে দেখা যাবে- আ.খ.ম হাসান, তাবাসুম মিথিলা, বিপ্লব প্রসাদ, আফরোজা হোসেন, জাদু ফরিদ, আফতাব উদ্দিন প্রমুখ। চিত্রগ্রহণ হাসানুজ্জামান রাজীব, প্রধান সহকারী পরিচালক মীর সাখাওয়াত আর সম্পাদনায় মমিন সরকার। মিডিয়া পাড়া নিবেদিত নাটকটি প্রযোজক রাজীব মণি দাস ও মমিন সরকার। পরিচালক সূত্রে জানা যায়, নাটকটি যেকোনো একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেলে প্রচারিত হবে।

গল্পে দেখা যায়- গ্রামের সাধারণ মানুষগুলো সিরাজকে উকিল বলেই জানে। তাদের ধারণা সে মস্ত বড় উকিল, তার এক কথায় অনেক কিছু পাল্টে যেতে পারে। ফৌজদারি মামলা থেকে আরম্ভ করে সবকিছু সে একাই করে। অথচ, বাস্তবে কোর্টের চৌকাঠা পর্যন্ত যেতে পারে না। এক উকিলের সাথে কিছুদিন মুহুরীর কাজ করে সেখান থেকে যে জ্ঞানার্জন করেছে সেটা দিয়েই সে মানুষের সাথে উকিলের নামে ঠকবাজি করে যাচ্ছে।

গ্রামের সবাই তাকে বাঘের মতো ভয় পেলেও সে বাসায় বাজা বেড়ালের মতো থাকে। কারণ সিরাজ শ^শুর বাড়ি থেকে মোটা অংকের টাকা পণ নিয়ে বিয়ে করেছে। সেজন্য স্ত্রীর সাথে প্রায়ই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তর্কাতর্কি হয়ে থাকে। মিথ্যা কথা দিয়ে সবাইকে শান্তনা দিতে পারলেও স্ত্রীর কাছে তাকে পরাজয় মানতে হয়। তবে স্ত্রীকে সে অনেক ভালোবাসে।

সিরাজের ভন্ডামিতে অতিষ্ট হয়ে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যেতে চায়। কারণ স্ত্রী মনে করে মানুষের অভিসাপে তাদের ঘরে কোনো সন্তান হচ্ছে না। সিরাজ তার স্ত্রীকে শান্তনা দেয় ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবে বলে। প্রয়োজন হলে দেশের বাহিরে নিয়ে যাবে। সে তার ঠকবাজির ভুল ব্যাখ্যা দেয়, বলে যা করছি সব তো তোমাদেরই জন্য। এভাবেই বিভিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় ‘মামলা বাজ’ নাটকের গল্পের কাহিনি।