‘চালের বাজার নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই’

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৪:৩৪ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৬, ২০১৯ | আপডেট: ৪:৩৪:অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৬, ২০১৯

দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ চাল থাকায় চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করার কোন প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

আজ শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ের সেচ ভবনে কৃষকদের বাজারজাত করা সবজির হাট ‘কৃষকের বাজার’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করার কোনো দরকার নাই জানিয়ে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ চাল রয়েছে। চাল নিয়ে কারো উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। চালের বাজার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে।

তিনি বলেন, ‘চিন্তা হতে পারে যদি কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়। এখন আপনারা আমাদের সহযোগিতা করেন, কৃষক যাতে তাদের পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায়। খামারে যারা কৃষিকাজ করে তারা যেন সঠিক মূল্য পায়, এটিও আমাদের দেখতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, মোটা চাল বিক্রি করতে পারি না আমরা। ওএমএসের গাড়ি যায়, তারা চাল বিক্রি করতে পারে না, ডিলাররা এক টনও চাল তুলছে না। কোনো গ্রাহক নাই। মোটা চাল খারাপ তো কিছু না। পুষ্টির দিক দিয়ে ভালো।

কৃষক পর্যায়ে ছোট ছোট পেঁয়াজ উঠিয়ে ফেলায় সরকার উদ্বিগ্ন জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজ এখনো বড় হয়নি। আরও অনেক বড় হওয়া দরকার। আমরা এটা নিয়ে শঙ্কিত আছি। সব ছোট ছোট পেঁয়াজ বিক্রি করে দিচ্ছে। জানুয়ারি মাসে কী উপায় হবে? পেঁয়াজের উৎপাদন তো কমে যাবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, এখন আমাদের লক্ষ্য নিরাপদ ও পুষ্টিমান সম্পন্ন খাদ্য নিশ্চিত করা। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আজকে নিরাপদ সবজির জন্য কৃষকের বাজারের আয়োজন। বিগত এক বছর ধরে এসব কৃষকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে তাদের উৎপাদিত পণ্য এই হাটে ভোক্তাদের জন্য আনা হয়েছে। এই বাজারে বিক্রির জন্য যেসব সবজি আনা হয়েছে এতে কোনো ধরনের সার বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্যের জন্য সচেতনতার বেশি প্রয়োজন। শিল্পের উন্নয়ন কৃষির উন্নয়নের ওপর নির্ভর করে। কৃষিজাত পণ্যের প্রক্রিয়াজতের শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের মাধ্যমে কর্মসংস্থানসহ এই শিল্পটি প্রসারিত হবে। এ বছর এই হাটে ভোক্তাদের যে সাড়া পড়েছে আগামীতে আরও বড় পরিসরে এই হাটের আয়োজন করা হবে। এছাড়া প্রতিটি উপজেলার দুটি করে গ্রামকে নিরাপদ সবজির গ্রাম হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিটি জেলার বাজারে একটি করে নিরাপদ সবজি কর্ণার থাকবে, যেখানে চাষী নিরাপদ সবজি বিক্রি করবে। এতে উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবেন কৃষক। ভবিষ্যতে এ বাজার সাত দিন করে করা হবে। এ বাজারের পণ্যের মানের তদারকি করছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।