আপি’ল বিভাগে খালেদা’র জামিন শু’নানি বৃহস্পতিবা’র

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১২:২৬ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৫, ২০১৯ | আপডেট: ১২:২৭:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৫, ২০১৯

ঢাকা: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মাম’লায় সা’ত বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়া’র’পারস’ন খালেদা জিয়ার জামি’ন আবেদন শুনানি’র জন্য বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) দিন ঠিক করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচার’পতির আপিল বেঞ্চ এ দিন ঠিক করেন। আদা’লতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন খন্দকার মাহ’বুব হোসেন, মওদুদ আ’হ’মদ ও জয়নুল আবেদী’ন। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।

পরে জয়নুল আবেদীন বলেন, আদালত বললেন আগামী বৃহস্পতিবার ফু’ল বেঞ্চে, আরও যে সব বিচারপতি আছে’ন তাদের নিয়ে শুনবেন। আমরা ন্যায়বিচার আশা করি। এটা সর্বোচ্চ আদালত। আশা করি আল্লাহর রহমতে বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে খালেদা জিয়া জামিন পাবেন।

এর আগে ১৭ নভেম্বর (রোববার) এ আবেদ’ন উপস্থাপনে’র পর আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. নূরুজ্জামা’ন শুনানির জন্য ২৫ নভে’ম্বর পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠানোর আদেশ দেন। সে অনুসারে সোমবার আবেদনটি কার‌্যতালিকায় আসে।

গত ১৪ নভেম্বর আপি’ল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় জামি’ন চেয়ে আপিল আবেদন ক’রা হয়। এদিকে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে জিয়া অর’ফানেজ ট্রাস্ট দুর্নী’তি মামলায় পাঁচবছর কা’রাদণ্ড পেয়ে বন্দি রয়েছেন খালেদা জিয়া। আপিলে’র পর হাইকোর্টে যা বেড়ে ১০ বছর হ’য়।

পরে ২০১৮ সালের ১৮ নভেম্ব’র খালাস চেয়ে আপিল বিভাগে খালেদা জিয়া জামি’ন আবেদন করেন। তবে সে আবেদ’ন এখনও আদালতে উপস্থাপ’ন করে’ননি তার আইনজীবীরা।

গত বছরের ২৯ অক্টোবর পু’রান ঢাকার কেন্দ্রীয় কা’রাগারের প্রশাসনিক ভ’বনের সাত নম্বর কক্ষে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান (বর্তমানে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি) জি’য়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জি’য়াকে সাত ব*ছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

একইসঙ্গে তাকে ১০ লাখ টাকা জরি’মানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দে’ওয়া হয়। একই সাজা হয়েছে মামলা’র অপর তিন আসামিরও।

খালেদা জিয়ার পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত অপর তিন আসামি হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সদ্য প্রয়াত সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

গত বছরের ১৮ নভেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এর বিরুদ্ধে আপিল করা হয়।

পরে গত ৩০ এপ্রিল জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত ব*ছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে অর্থদণ্ড স্থগিত এবং সম্পত্তি জব্দ করার ওপর স্থিতাবস্থা দিয়ে দুই মাসের মধ্যে ওই মামলার নথি তলব করেছিলেন।

এরপর ২০ জুন বিচারিক আদালত থেকে মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ৩১ জুলাই বিচার*পতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামা*নের হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন।

পরে ১১ সেপ্টেম্বর ফের জামিন আবেদন ফেরত দেন বিচারপতি ফরিদ আহমে’দ ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মোবিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জি’য়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মাম’লা করা হয়। ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

তদন্ত শেষে ২০১২ সালে খালেদা জি’য়া’সহ চারজনের বিরুদ্ধে আদা’লতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদাসহ চার আ’সামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আ’দালত। সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শেষ হলে দুদকের পক্ষে এই মামলা’য় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষ’ণা করা হয়।