কোরআনের সূরে ও জাগ্রত গানে ঝালকাঠি মাতালেন আজহারী-মুহিব খান

প্রকাশিত: ৬:৪১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৬, ২০১৯ | আপডেট: ৬:৪১:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৬, ২০১৯

অপসংস্কৃতি মোকাবেলায় ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সুললিত কণ্ঠে কুরআন তেলাওয়াত করে মুসলি­দের হৃদয় দোলা দেয় আন্তর্জাতিক কুরআন তেলাওয়াত সংস্থা’র সভাপতি ও ১০ ক্বিরাতের উপর সর্বোচ্চ সনদধারী শাইখ আহমাদ বিন ইউসুফ আল আযহারী। সেই সাথে দেশপ্রেমী ইসলামী জাগরণী সংগীত পরিবেশন করে দর্শক শ্রোতাদের ব্যতিক্রমধর্মী সংগীতে উজ্জীবীত করেন ইসলামী রেনেসার জাগ্রত কবি আল­ামা মুহিব খান। ঝালকাঠির কুতুবনগর মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে জেলা ইমাম সমিতি এবং কুতুবনগর ইসলামী কমপ্লেক্স’র যৌথ আয়োজনে কুরআনের সূরে ও ইসলামী সংগীতের ঝংকারে ৫ম বার মাতলো ধর্মপ্রাণ মুসল­ীরা। শুক্রবার (১৫ নভেম্বর ) রাতে এ ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয।
এয়াড়া অনুষ্ঠানে কুরআন তেলাওয়াত করেন জাতীয় স্বর্ণপদক প্রাপ্ত ক্বারী হাফেজ শামিমুর রহমান, হাফেজ মুহাইমিনুল ইসলাম এবং ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন মেশকাত বিন নুর, ওমর ফারুক মুনতাজিম, আকবর মাহমুদ, আফনান ফেরদৌস, এনামুল কবীর, আসিফ মাহমুদ, শামিমুর রহমানসহ অনেক খ্যাতিমান শিল্পীবৃন্দ। অনুষ্ঠানের প্রধান আয়োজক ও সার্বিক তত্ত¡াবধায়নে ছিলেন কুতুবনগর মাদ্রাসা অধ্য এবং উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান।
শাইখ আহমাদ বিন ইউসুফ আল আযহারী সুরা আর রহমান, সুরা ফিল ও সুরা কাফিরুন পরিবেশন করলে উপস্থিত দর্শক শ্রোতারা আল­াহু আকবার ধ্বনিতে প্রকম্পিত করেন। আল­ামা মুহিব খান দেশপ্রেমী ইসলামী জাগরণী সংগীত পরিবেশনকালে বলেন, বাংলাদেশের সকল ধর্মের লোক বাস করেন। সবার মধ্যেই সম্প্রীতি সৌহার্দ বজায় আছে। নাস্তিক মুরতাদরা সমাজ ধ্বংসী। বাংলাদেশে হিন্দু নারীর ইজ্জত বাঁচাতে ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজি আগমন করেছেন। তিনিই বাংলাদেশের প্রথম মুসলিম শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাও করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে পৃথিবীর সকল মুসলমানদের পে থাকতেন। তিনি বিধর্মীদের কাছ থেকে বাংলাদেশকে মুসলিম উম্মাহর দেশ গড়তে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন করে কারা বরণ করেছেন। বঙ্গবন্ধু ইসলাম প্রিয় থাকায় শিশুদের ইসলামী শিায় শিকি।ষত করতে ইসলামীক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মসজিদ ভিত্তিক শিশু শিা কার্যক্রম প্রচলন করেন।