স্বজনদের দাবি হাসপাতালের দারোয়ানদের জন্যই নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে

নাজমুল হক নাজমুল হক

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক

প্রকাশিত: ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৮, ২০১৯ | আপডেট: ১২:৪৪:পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৮, ২০১৯

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের দারোয়ানদের গাফিলতির কারনে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নবজাতকের বাবা, দাদী ও ফুপিকে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নবজাতক মাদারীপুর শহরের পানিছত্র এলাকার মারুফ শেখের সন্তান।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে মাদারীপুরের চৌধুরী ক্লিনিক নামে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে মারুফ শেখের স্ত্রীর গর্ভ থেকে সিজারে বাচ্চাটি ভুমিষ্ট হয়। পরে বাচ্চাটির অবস্থার অবনতি হলে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে স্থানান্তরের কথা বললে ভুক্তভোগীর পরিবার বাচ্চাটিকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে আরো অবনতি হলে পরে একই ডাক্তার বৃহস্পতিবার সকালে ফরিদপুরে নিয়ে যেতে বলেন। শিশুটিকে ফরিদপুর নিয়ে যাওয়ার জন্য এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করা হয়। ডাক্তার হাসপাতালের ওয়ার্ডের ভিতরে ভর্তি হওয়া রোগী দেখতে ছিল। এ সময় দারোয়ানরা ওয়ার্ডের দরজা বন্ধ করে রাখে। দরজা খুলতে দেরি হওয়ায় শিশুটির পরিবারের সদস্যরা বাহির থেকে ধাক্কাধাক্কি করে দরজা খোলার জন্য। এ সময় দারোয়ানরা উত্তেজিত হয়ে শিশুটির পরিবারের উপর হামলা চালায়। এতে বাবা মারুফ শেখ (৩০) এর মাথা ফেটে যায়। শিশুটির দাদি রাহেলা বেগম (৫০) ও ফুপু মুক্তা (২২) দারোয়ানদের আঘাতে আহত হয়।
শিশুটির বাবা মারুফ শেখ জানান, ফরিদপুর রেফারের কথা শুনে আমি ডাক্তারের সাথে সরাসরি কথা বলতে ভিতরে প্রবেশ করতে চাইলে দরজার সামনে থাকা দারোয়ান আমাকে বাধা দেয়। এবং এক পর্যায়ে আমার মাথা ফাটিয়ে দেয়। এ সময় আমার মা ও বোনকে আঘাত করা হয়। দারোয়ানের গাফিলতির কারনে আমার বাচ্চার মৃত্যু হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষ বলেন, হাসপাতালের স্টাফদের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে রোগীর স্বজনদের মাথা ফাটানো হয়নি। পরে গিয়ে তালার আঘাতে মাথা ফেটেছে।