৯দিন নিখোজঁ শার্শার হাফিজুর রহমান ৪টি অস্ত্র ও ১৭ রাউন্ড গুলিসহ আটক এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি

প্রকাশিত: ১০:৫৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৫, ২০১৯ | আপডেট: ১০:৫৩:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৫, ২০১৯

ডিবি পুলিশ পরিচয়ে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার ৯দিন পর শার্শার পুটখালীর হাফিজুর রহমান(৩২)কে অস্ত্র সহ হাজির করেছে ঢাকা মিরপুর ডিবি পুলিশ। এ নিয়ে বেনাপোল এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আটক হাফিজুর রহমান বেনাপোলের পুটখালী গ্রামের মোঃ আমির আলী বিশ্বাসের ছেলে। সে একজন গরু ব্যবসায়ী বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে। হাফিজুর স্থানীয় যুবলীগের একজন কর্মি বলে জানান তার পরিবার।

ডিবি কর্তৃক আটক হাফিজুরের বড় ভাই পল্লী চিকিৎসক আব্দুর রহমান এক লিভিত অভিযোগে জানিয়েছেন, তার ছোট ভাই হাফিজুর রহমানকে গত ২৮ অক্টোবর ডিবি পুলিশ পরিচয়ে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে বেনাপোল পর্যটন মটেলে নিয়ে যান । সেখান থেকে ডিবি পুলিশ তার ছোট ভাই হাফিজুরকে ধরে নিয়ে যান। বাড়ি থেকে বের হওয়ার ১ ঘন্টা পর থেকে হাফিজুরের ব্যবহারিত ০১৭৭৫-৬০০৯০০ নম্বরের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। তিনি জানান,হাফিজুরের মোবাইল বন্ধ থাকায় পরিবারের স্বজনেরা সঙ্কীত হয়ে পড়েছে। তাৎক্ষনিক সম্ভব্য অনেক স্থানে খোজা খুজি করেও তার কোন সন্ধান মেলেনি। পরিবারের থেকে পরদিন সকালে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে বিষয়টি অবহিত করেন। চেয়ারম্যান এ বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় জানানোর জন্য পরামর্শ দেন। সে মোতাবেক পরিবারের পক্ষ থেকে একাধিকবার মৌখিক ভাবে বলে থানার ডিউটি অফিসার এর কাছে জিডি করতে যান । পুলিশ জিডি না নিয়ে আত্মীয় স্বজনদের বাসায় খোজ নিতে বলেন। দীর্ঘ ৮দিন অনেক খোজাখুজির পর হাফিজুরের কোন সন্ধান মেলেনি বলে জানান স্বজনেরা।

লিখিত অভিযেগে জানান ডিবি পুলিশের আটকের ৯ দিনের মাথায় মঙ্গলবার হঠাৎ টিভি চ্যানেলের সংবাদে দেখতে পাই (৫ অক্টোবর} ৪টি অস্ত্র ও ১৭ রাউন্ড গুলি সহ ডিবি পুলিশ হাফিজুরকে ঢাকা মিরপুর থেকে আটক করেছে। পরিবারের অভিযোগ হাফিজুর একজন গরু ব্যবসায়ী। সে কখনও অস্ত্র ব্যবসার সাথে জড়িত না। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অভিযোগ নেই । বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ৯দিন আটকে রেখে ঢাকায় নিয়ে ষড়যন্ত্র করে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। যে কারনে হাফিজুর আটকের ঘটনায় এলাকায় সাধারন মানুষ আতংকিত হয়ে পড়েছে। ঘটনাটি চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে বেনাপোল এলাকায়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইন-চার্জ মামুন খান জানান,এ ব্যাপারে কিছু জানি না। তিনি বলেন যেহেতু আইনশৃঙ্খলা বাহীর তাকে ধরেছে এ ব্যাপারে আমার কিছু বলার নেই।

এ ব্যাপারে যশোর ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ এর কাছে ০১৭১৩৩৭৪১৭১ নম্বরে জানতে চাইলে তিনি জানান, এ ব্যাপাওে আমরা কিছু জানি না।তিনি জানান যেহেতু ঢাকায় আটক হয়েছে এজন্য আমাদেও কিছু বলার নেই।

বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ আইনগত সহায়তা পাওয়ার জন্য হাফিজুরের পরিবার প্রধান মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, যশোর জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।