মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সেদিন কারাগারে হত্যার চেষ্টা হয়েছিল___শেখ আফিল উদ্দিন এমপি

প্রকাশিত: ৩:২০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩, ২০১৯ | আপডেট: ৩:২০:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩, ২০১৯

কারাগার নিশ্চয়তার জায়গা। বিশ্বের কোথাও কারাগারের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের নজির নেই। বঙ্গবন্ধুকেও পাকিস্তানীরা কারাগারে হত্যা করেনি। কিন্তু বাংলাদেশের একটি চক্র মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করতে জাতীয় চার নেতাকে কারাগারের মধ্যে নির্মমভাবে হত্যা করে। যা সভ্য দুনিয়া আগে কখনো দেখেনি।

শার্শা উপজেলা প্রশাসন ও আওয়ামী লীগ আয়োজিত উপজেলা প্রশাসনিক ভবনে জাতীয় চার নেতা হত্যা- বার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যশোর জেলার সহ-সভাপতি ও শার্শা আসনের জাতীয় সংসদের সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন এসব কথা বলেন।

শেখ আফিল উদ্দিন এমপি আরো বলেন,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের মডেল। আমাদের এই উন্নয়নের ধারা ধরে রাখতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় জাতীয় চার নেতা তাজউদ্দিন আহম্মেদ,সৈয়দ নজরুল ইসলাম,এএইচএম কামরুজ্জামান ও এম মনসুর আলীকে হত্যা করা হয়। এ উপলক্ষে শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগ দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করে।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সিরাজুল হক মঞ্জুর সভাপতিত্বে ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামানের সঞ্চালনায় এসময় আরো বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আসিফ-উদ-দৌলা অলোক সরদার,শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহম্মেদ মিন্টু,যশোর জেলা পরিষদের সদস্য ও শার্শা উপজেলা আঃলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদি হাসান,পৌর
আঃলীগের সভাপতি আলহাজ্ব এনামুল হক মুকুল,
সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন,উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহিম সর্দার,সাধারন সম্পাদক ইকবাল হোসেন রাসেলসহ শার্শা উপজেলা ১১টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বৃন্দ,প্রমুখ।

জাতীয় চার নেতাকে হত্যার দিনে শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগ তাদের গভীরভাবে স্মরণ করেছে। এজন্য দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। দিনের শুরুতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া শোক প্রকাশের অংশ হিসেবে কালো পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।