রায় শুনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অধ্যক্ষ সিরাজ

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ২:২৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৪, ২০১৯ | আপডেট: ২:২৫:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৪, ২০১৯

বহুল আলোচিত ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাসহ ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ এ রায় দেন। এ সময় অধ্যক্ষ সিরাজসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা বারবার নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ১০টা ৫০ মিনিটে অধ্যক্ষ সিরাজসহ এই মামলার ১৬ আসামিকে প্রিজনভ্যানে করে আদালত প্রাঙ্গণে আনা হয়। বেলা ১১টায় বিচারক মো. মামুনুর রশিদ এজলাসে উপস্থিত হয়ে মামলার রায় পড়া শুরু করেন। টানা ১৫ মিনিট ধরে ৩ পৃষ্ঠার রায়ের মূল অংশ পাঠ করেন তিনি। এ সময় রায় শুনে অধ্যক্ষ সিরাজসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা বারবার নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

এদিকে রায় ঘোষণার সংবাদ শুনে কোর্ট চত্বরে আসামির স্বজনরাও আহাজারি শুরু করেন। আদালত প্রাঙ্গণে আসামি হাফেজ আবদুল কাদেরের বাবা আবুল কাশেম খান, জাবেদ হোসেনের ভাই জাহেদ হোসেন, নুর উদ্দিনের মা রাহেলা বেগম, আবদুর রহিম শরীফের মা নুর নাহার ও ইফতেখার উদ্দিন রানার বাবা জামাল উদ্দিন প্রকাশ্যে এ রায়ের বিরোধিতা করেন। তারা নুসরাত হত্যা মামলাটি মিথ্যা ও তাদের সন্তানদের বিনা দোষে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। এ সময় আসামিদের স্বজনরা উচ্চ স্বরে কাঁদতে থাকেন।

উল্লেখ্য, গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে আটক করে পুলিশ। পরে ৬ এপ্রিল ওই মাদরাসার কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। ১০ এপ্রিল রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান নুসরাত জাহান রাফি।