আবরারের খুনিদের আইনজীবীকে বহিষ্কার করলো বিএনপি

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০১৯ | আপডেট: ৯:১৪:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০১৯

সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অপরাধে আডভোকেট মোর্শেদা খাতুন শিল্পীকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিএনপির পেশাজীবী সংগঠন ‘জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোর্শেদা খাতুন শিল্পীকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার (৯ অক্টোবর) রাত দেড়টার দিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোর্শেদা খাতুন শিল্পীকে সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এখন থেকে আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক থাকবে না।

জানা গেছে, বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদকে নির্মমভাবে পিটিয়ে যারা হত্যা করেছে তাদের আইনজীবী হিসেবে কোর্টে দাঁড়িয়েছিলেন এই আইনজীবী। এ কারণে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের দাবি ওঠে।

সংবাদ পড়তে গিয়ে কেঁদে ফেললেন উপস্থাপক:

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরারের হত্যার সংবাদ পড়তে গিয়ে কেঁদে ফেলেছেন এক বেসরকারি টেলিভিশনের সাংবাদিক। চ্যানেল-২৪ এর ‘ফারাবী হাফিজ’ নামের ওই সাংবাদিককে আবরারের দাফনের সংবাদ উপস্থাপনের সময় কান্না করতে দেখা গেছে।

এ সময় তার কন্ঠেও জড়তা লক্ষ্য করা যায়। তবে মুহূর্তেই তিনি নিজেকে সামলে নেয়ার চেষ্টা করেন।

মঙ্গলবার ওই সাংবাদিকের এই ভিডিও ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। অনেকেই ওই সাংবাদিকের প্রশংসা করেছেন।

রোববার রাতের আবরার ফাহাদের হত্যার ঘটনায় দেশব্যাপী নিন্দার ঝড় ওঠে। শিক্ষক-রাজনীতিক, সাংবাদিক ও চিকিৎসকসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এ হত্যাকাণ্ডে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

প্রতিবাদী তরুণী:
সারাদেশে বুয়েট ছাত্র আবরারকে হত্যার প্রতিবাদ চলছে। বুয়েটসহ উত্তাল দেশের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। বুয়েটের আন্দোলনে সামনের সারিতে বারবার দেখা গেছে একজন তরুণীকে।

উপাচার্যের সাথে শিক্ষার্থীদের কথোপকথন চলার সময়ও এই তরুণী ছিলেন উচ্চকন্ঠ। এই তরুণীকে নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন রশিদ খান নামের এক ব্যক্তি।

সেই স্ট্যাটাসটি এখানে তুলে ধরা হলো- ‘বুয়েটের আবরার ইস্যুতে গতকাল থেকে যতগুলো রিপোর্ট দেখেছি, সেখানে উচ্চস্বরে কেবল একজন বুয়েট ছাত্রীর শব্দ শুনি। গতকাল পুলিশের চোখে চোখ রেখে বলতেছে, আঙ্গুল তুলে কেন কথা বলতেছেন আমাদের সাথে?

বুয়েটের শেরে বাংলা হলে পুলিশ প্রবেশের পর সকল ছাত্র-ছাত্রী সম্মিলিতভাবে পুলিশকে হল থেকে বের করে দেয়। সেখানে এই মেয়ের সাহসী উচ্চারণ, কার অনুমতি নিয়ে আপনারা আমাদের হলে প্রবেশ করেছেন?