আবরারকে খুন করার পর তারা বীরদর্পে ঘুরেছে

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৯:০৩ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০১৯ | আপডেট: ৯:০৩:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের ১০ নেতাকর্মীকে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। চকবাজার থানা পুলিশের আবেদনে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত গতকাল মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

আলোচিত এই মামলার তদন্তভার ইতোমধ্যে গোয়েন্দা সংস্থা ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। চকবাজার থানায় আবরারের বাবার করা হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

যাদের রিমান্ডে পাঠানো হলো : বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান ওরফে রবিন, গ্রন্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ ওরফে মুন্না, ছাত্রলীগের সদস্য মুনতাসির আল জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম ওরফে তানভীর, মোহাজিদুর রহমান, অনীক সরকার, মেফতাহুল ইসলাম ও ইফতি মোশারেফ।

আদালতে শুনানিতে বলা হয়, বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে এই ১০ আসামি পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন। তাকে ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে। আর হত্যায় এই ১০ আসামি যে জড়িত তা ভিডিও ফুটেজে প্রমাণিত। এরা ছাত্র নামের কলঙ্ক। আবরার ফাহাদকে খুন করার পর তারা বীরদর্পে ঘুরেছেন। ডাক্তারও ডেকে আবরারকে চিকিৎসা দেয়ার প্রয়োজনও বোধ করেননি।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান আদালতের উদ্দেশে বলেন, একজন সহপাঠী আরেকজন সহপাঠীকে এমন নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করতে পারেন? কী দোষ ছিল আবরারের? তারা সবাই খুনি? এই খুনের রহস্য উদঘাটনের জন্য প্রত্যেক আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।

আসামি ইশতিয়াক আহমেদের আইনজীবী হুমায়ুন কবির আদালতের কাছে দাবি করেন, আবরার ফাহাদ হত্যায় তার মক্কেল কোনোভাবেই জড়িত ছিলেন না। তাকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন নাকচ করে জামিন দেয়া হোক। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আবরার হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে পাঁচ দিন করে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন মঞ্জুর করেন।