পু’লিশ পরিচয়ে তুলে নেয়ার পর নদীতে যুবলীগ নেতার লা’শ

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯ | আপডেট: ৯:৫৭:পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯

সুনামগঞ্জের ছাতকে সাদা পোশাকে পু’লিশ পরিচয় দিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার পথে নদীতে লাফ দিয়ে নি’খোঁজ হওয়ার ২০ ঘণ্টা পর আনোয়ার হোসেন নামে এক যুবলীগ নেতার লা’শ উ’দ্ধার করা হয়েছে।

 

রোববার বিকালে উপজে’লার জাউয়া বাজার ও ছাতক সড়কের কাচা নদী থেকে ওই যুবলীগ নেতার লা’শ উ’দ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পু’লিশ ওই যুবলীগ নেতার সঙ্গী শাহাবুদ্দিনকে আ’ট’ক করেছে।

 

নি’হত আনোয়ার উপজে’লার চরমহল্লা ইউনিয়নের চানপুর গ্রামের মৃ’ত আরশ আলী ছে’লে।

 

নি’হতের স্বজনদের দাবি, পু’লিশ পরিচয়ে তুলে যুবলীগ নেতা আনোয়ার হোসেনকে (৩০) পরিক’ল্পিতভাবে হ’ত্যা করা হয়েছে।

 

শাহাবুদ্দীনের বরাত দিয়ে আনোয়ারের চাচা ও ইউপি সদস্য এখলাছুর রহমান যুগান্তরকে জানান, গত শনিবার রাতে জাউয়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সাদা পোশাকের দুজন লোক নিজেদের পু’লিশ পরিচয় দিয়ে মোটরসাইকেল থামিয়ে আনোয়ারকে তাদের সঙ্গে পু’লিশ ক্যাম্পে যেতে বলে। পায়ে হেঁটে কয়েক গজ যাওয়ার পর কাঁচা নদীর ব্রিজ থেকে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে নি’খোঁজ হন আনোয়ার।

 

পরে দুজনের একজন পু’লিশ পানিতে নেমে খোঁজাখুঁজি করে কোনো সন্ধান পাননি। এ সংবাদ পেয়ে তার আত্মীয়রা স্বজন জাউয়া বাজার পু’লিশ ক্যাস্পে যোগাযোগ করেন। পু’লিশ এমন কোনো ঘটনাটি অস্বীকার করলেও তারা নদীতে খুঁজে তাকে না পেয়ে রোববার সকালে থা’না গিয়ে পু’লিশকে ঘটনাটি জানান।

 

পরে বিকালে ছাতক থা’নার ওসি ত’দন্ত আমিনুল ইস’লামের নেতৃত্বে একটি দল জাউয়াবাজার ছাতক সড়কের কাঁচা নদীতে ডুবুরি দল ব্যাপক অ’ভিযান চালিয়ে তার লা’শ উ’দ্ধার করেন পু’লিশ।

 

ইউপি সদস্য এখলাছুর রহমান বলেন, আনোয়ারের ডান চোখের ওপরে আ’ঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ছাড়া মুখ ও নাক র’ক্তাক্ত। তাকে পরিক’ল্পিতভাবে হ’ত্যা করা হয়েছে।

 

আম’রা সুষ্ঠু ত’দন্ত সাপেক্ষে এ ঘটনায় জ’ড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শা’স্তি চাই। দাফন শেষে সবার সঙ্গে পরাম’র্শ করে মা’মলা করা হবে বলেও জানান এখলাছ মেম্বার।

 

এ ঘটনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী শাহাবুদ্দিনকে পু’লিশ তাদের জিম্মায় নিয়ে গেছে। শাহাবুদ্দিন একই গ্রামের মৃ’ত আবদুল আছিরের ছে’লে।

 

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ছাতক থা’নার ওসি গো’লাম মোস্তফা যুগান্তরকে জানান, আনোয়ার দুই বছরের সাজা’প্রাপ্ত আ’সামি ছিল। পু’লিশ তাকে গ্রে*ফতারের চেষ্টা করলে সে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নি’খোঁজ হয়। পরে নদী থেকে তার লা’শ উ’দ্ধার করা হয়।

 

সাদা পোশাকে পু’লিশ আ’সামি ধরতেই পারে জানিয়ে ওসি বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাত’দন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতা*লের ম’র্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি উধ্বর্তন অফিসারদের জানানো হয়েছে, উনারা এসে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।