থানার ভেতর যুবতীকে নগ্ন করে গোপনাঙ্গে মার

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১২:৩১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯ | আপডেট: ১২:৩১:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯

চু’রির অ’ভিযোগে আসামের এক যুবতীকে লকআপের মধ্যে ন’গ্ন করে বেধড়ক মা’রধরের অ’ভিযোগ উঠল পু’লিশের বি’রুদ্ধে। শুধু তাই নয়, কোম’রের বেল্ট খুলে অ’ভিযুক্ত পু’লিশকর্মীরা তাঁর গো’পনাঙ্গেও আ’ঘাত করে বলে জানা গিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে হরিয়ানার গুরগ্রামে ডিএলএফ ফেজ ওয়ান এলাকায়। এই ঘটনার পরেই গুরগ্রামের পু’লিশ কমিশনারের নির্দেশে ওই থা’নার ইনচার্জসহ ৪ পু’লিশকর্মীকে পু’লিশ লাইনে বদলি করা হয়েছে। শুরু হয়েছে বিভাগীয় ত’দন্তও।

জানা গিয়েছে, আসামের বাসিন্দা ৩০ বছরের ওই যুবতী ডিএলএফ ফেজ ওয়ান এলাকার একটি বাংলোতে পরিচারিকার কাজ করতেন। গত মঙ্গলবার ওই বাংলোর বাসিন্দারা তাঁর নামে চু’রির অ’ভিযোগ দায়ের করেন স্থানীয় থা’নায়। এরপর তাঁকে থা’নায় নিয়ে গিয়ে জেরা করেন পু’লিশকর্মীরা। পরে ওই যুবতীকে লকআগে পুরে ন’গ্ন করে বেল্ট দিয়ে বেধড়ক মা’রধর করে বলে অ’ভিযোগ। ক্ষতবিক্ষত করে দেয় তাঁর গো’পনাঙ্গ-সহ শরীরের বিভিন্ন অংশ।

বিষয়টি জানাজানি হতেই থা’নার বাইরে ভিড় জমান উত্তর-পূর্ব থেকে এসে ওই এলাকায় বসবাস করা অনেক মানুষ। পরে ওই যুবতী ও তাঁর স্বামীর মুখে সমস্ত কথা শুনে গত বুধবার গুরুগ্রামের পু’লিশ কমিশনার মহম্ম’দ অখিলের অফিসের বাইরে বি’ক্ষোভ দেখান তাঁরা। এর জেরে ডিএলএফ ফেজ ওয়ান থা’নার অফিসার ইনচার্জ-সহ চার পু’লিশকর্মীকে পু’লিশ লাইনে বদলি করেন পু’লিশ কমিশনার। বিষয়টির বিভাগীয় ত’দন্তেরও নির্দেশ দেন।

ওই যুবতীর স্বামী বলেন, ওই থা’নার এএসআই ও চু’রির ঘটনার ত’দন্তকারী আধিকারিক মধুবালা আমা’র স্ত্রী’কে থা’নায় ডেকে পাঠান। সেখানে যাওয়ার পর একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে ন’গ্ন করে বেল্ট ও লা’ঠি দিয়ে বেধড়ক মা’রধর করেন। ওই মহিলা এএসআইয়ের সঙ্গে আরও তিনজন পু’লিশকর্মী ছিলেন। যে অ’প’রাধ আমা’র স্ত্রী’ করেননি তা স্বীকার করার জন্য বারবার চাপ দিচ্ছিলেন।

গুরুগ্রাম পু’লিশের জনসংযোগ আধিকারিক সুভাষ বোকান বলেন, অ’ভিযোগ পাওয়ার পরেই ওই পু’লিশকর্মীদের পু’লিশ লাইনে বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি অ’ভিযুক্ত থা’না ইনচার্জ সাহিত কুমা’র, এএসআই মধুবালা, হেড কনস্টেবল অনিল কুমা’র ও মহিলা কনস্টেবল কবিতার বি’রুদ্ধে বিভাগীয় ত’দন্ত শুরু হয়েছে।

সূত্রঃ আওয়াজবিডি