পর’কী’য়া ও টাকা চাওয়ায় ভাই-বোন মিলে প্রবাসী যুবককে খু’ন

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১০:০১ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২২, ২০১৯ | আপডেট: ১০:০১:পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২২, ২০১৯

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পর’কী’য়া ও টাকা চাওয়ায় ভাই-বোনের হাতে খু’ন হয়েছেন মোশারফ মিয়া (২৫) নামের সৌদী প্রবাসী যুবক। খু’নের ১৭ দিন অ’তিবাহিত হলেও লা’শ উ’দ্ধার করতে পারেনি পু’লিশ। নি’হত যুবক ঘাটাইল উপজে’লার দিগড় ইউনিয়নের মাইদারচালা নয়াবাড়ি গ্রামের সেকান্দর আলীর ছে’লে। খু’নের ঘটনায় জ’ড়িত থাকার অ’ভিযোগে একই গ্রামের সৌদী প্রবাসী ইসমাঈল হোসেনের স্ত্রী’ নাছিমা (৩৫) ও তার ভাবী সোনিয়াকে গ্রে’ফতার করেছে কালিহাতী থা’না পু’লিশ। মা’মলার অন্যতম আ’সামি নাছিমা’র ভাই কালিহাতী উপজে’লার বীরবাসিন্দা গ্রামের মৃ’ত মেছের আলী মন্ডলের ছে’লে ভিয়াইল মাদ্রাসার শিক্ষক আকতার হোসেন পলাতক রয়েছেন।

পু’লিশ ও নি’হতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট রবিবার বিকালে কদমতলী গরুর হাট থেকে ফেরার পর রাত ৯ টায় নিখোঁজ হন মোশারফ মিয়া। পরদিন ঘাটাইল থা’নায় নিখোঁজ জিডি করা হয়। জিডি ও মোবাইলের কললিস্টের সূত্র ধরে প্রতিবেশী নাছিমা (৩৫) কে ১৬ আগস্ট রাতে আ’ট’ক করে পু’লিশ। জিজ্ঞাসাবাদে মোশারফের সাথে পর’কী’য়ার কথা স্বীকার করেন নাছিমা। গত ৪ আগস্ট রাতে মোশারফকে ডেকে নিয়ে নাসিমা ও তার ভাই আকতার মিলে তাকে খু’ন করে। ১৭ আগষ্ট বিষয়টি আ’দালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দিয়েছেন নাছিমা। এদিকে নাছিমা’র ভাবী আকতারের স্ত্রী’কেও আ’ট’ক করে পু’লিশ। তাকে দুই দিনের রিমা- মঞ্জুর করে আ’দালত।

মা’মলার বাদী নি’হত মোশারফের ছোট ভাই কলেজছাত্র সজিব মিয়া বলেন, ২০১২ সাল থেকে আমা’র ভাই সৌদীতে ছিলেন। তিনি ক’ষ্টার্জিত অধিকাংশ টাকা-পয়সা নাছিমাকে পাঠিয়েছেন। এবার রমজান মাসে দেশে ফিরে টাকা ফেরত চাইলে নাছিমা ও তার ভাই মিলে আমা’র ভাইকে নি’র্মমভাবে খু’ন করেছেন। আম’রা এর উপযুক্ত বিচার চাই।

মা’মলার ত’দন্তকারী কর্মক’র্তা ও কালিহাতী থা’নার উপ-পরিদর্শক নাসির উদ্দিন বলেন, গত ৪ আগষ্ট রাতে মোশারফ মিয়াকে হ’ত্যা করে কালিহাতীর গজারিয়া বিলে লা’শ গু’ম করে। পর’কিয়া ও পাওনা টাকা চাওয়া থেকেই এ খু’নের ঘটনা ঘটেছে। মোশারফের ভাই সজিব মিয়া বাদী হয়ে থা’নায় মা’মলা দায়ের করেছেন। এ হ’ত্যাকা-ে দুইজনকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে। নাছিমা আ’দালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দিয়েছেন। তিনি জে’ল হাজতে আছেন। আর নাছিমা’র ভাবী সোনিয়াকে দুই দিনের রিমা-ে নেয়া হলে তার স্বামী আকতার হোসেন ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত বলে জানিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, লা’শের নখ ও পায়ের চামড়া পাওয়া গেলেও লা’শটি উ’দ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আমাদের অ’ভিযান অব্যাহত রয়েছে। অ’ভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক পলাতক রয়েছেন।