মাদ্রাসাছা’ত্রী আসমাকে ধ*র্ষণের পর হ*ত্যা করা হয়েছিল

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২১, ২০১৯ | আপডেট: ১০:৩২:পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২১, ২০১৯

মাদ্রাসাছা’ত্রী আসমাকে ধ*র্ষণের পর শ্বা*সরোধে হ*ত্যা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ময়নাত’দন্তকারী চিকিৎসক। মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ময়নাত’দন্ত শেষে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক প্রভাষক ডা. প্রদীপ বিশ্বা’স বলেন, ‘মে’য়েটিকে শ্বা*সরোধে হ*ত্যা করা হয়েছে। শরীরে নি*র্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। ধ*র্ষণের আলামত পেয়েছি এবং নমুনা সংগ্রহ করে প্যাথোলজিতে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

সোমবার (১৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কমলাপুর রেলস্টেশন ওয়াসা ফিটের পূর্ব পাশে একটি পরিত্যক্ত বগির বাথরুমের ভেতর থেকে আসমা আকতার (১৭) নামে ওই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃ’তদেহ উ’দ্ধার করে রেলওয়ে পু’লিশ।

ঢাকা রেলওয়ে (কমলাপুর) থা’নার উপপরিদর্শক (এসআই) আলী আকবর বলেন, ‘তার শরীরে আ*ঘাতের চিহ্ন রয়েছে। গলার চারপাশে কালো গোলাকৃতির দাগ এবং কপালে আ’ঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘কী’ভাবে মে’য়েটির মৃ’ত্যু হয়েছে বা মৃ’ত্যুর আগে ধ*র্ষণের শিকার হয়েছে কিনা তা ময়নাত’দন্তের প্রতিবেদন পেলে সুনির্দিষ্ট করে বলা যাবে।’

আসমা পঞ্চগড় সদর উপজে’লার কোনপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের মে’য়ে। সে কমলাপুর খানবাহাদুর মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় পাস করেছে।

আসমা’র চাচা রাজু আহমেদ বলেন, ‘আসমা রবিবার সকাল থেকে নি’খোঁজ ছিল। সোমবার সংবাদ পেয়ে লা’শ শনাক্ত করি। বাঁধন নামে এক যুবক তাকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে গেছে বলে জানতে পেরেছি। বাঁধনও একই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল। আসমা নি’খোঁজের পর থেকে ছে’লেটিকে এলাকায় পাওয়া যায়নি। তাদের পরিবার থেকে ধারণা করা হচ্ছে বাঁধনই তাকে হ*ত্যা করেছে।’