ঝালকাঠিতে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা অধ্যরে বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত: ২:৩৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৮, ২০১৯ | আপডেট: ২:৩৪:অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৮, ২০১৯

ঝালকাঠি সদর উপজেলার ‘তের আনা শাহ মাহমুদিয়া আলিম মাদ্রাসা’র অধ্য’র বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগ মামলা দায়ের হয়েছে। ধর্ষণের শিকার ৮ম শ্রেনিতে পড়–য়া ওই ছাত্রী লেখাপড়ার পাশাপাশি অধ্য কামাল হোসাইনের বাসায় ৫ বছর যাবৎ গৃহ পরিচারিকার কাজ করতো।
শনিবার (১৭ আগস্ট) রাতে খবর পেয়ে পুলিশ অধ্য কামাল হোসাইন’র মেঝ ভাইয়ের বাড়ি থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে তাদের হেফাজতে নেয়া হয়েছে। নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রীকে স্বাস্থ্য পরীার জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অধ্য কামাল হোসাইন পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গত ১৫ আগস্ট দুপুরে কামাল হোসাইন নিজ বাড়িতে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে আতœগোপন করেন অভিযুক্ত অধ্য কামাল হোসাইন। পরবর্তীতে ধর্ষণের শিকার ছাত্রীকে তার মেঝ ভাই জামাল উদ্দিনের বাড়ীতে আটকে রাখা হয়। সেখান থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ঝালকাঠিতে নিয়ে আসে। এলাকাবাসী আরো জানায়, ওই দরিদ্র মেয়েটিকে বাসায় কাজে রাখার সুবাধে দীর্ঘদিন থেকে অধ্য কামাল হোসাইন যৌন নির্যাতন করে আসছিলেন। ১৫ আগস্ট দুপুরের এ ঘটনা অধ্যরে স্ত্রী দেখে ফেললে জানাজানি হয়।
এ ব্যাপারে ঝালকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোনিত কুমার গায়েন জানান,‘মেয়েটি লেখাপড়ার পাশাপাশি ৫ বছর যাবৎ মাদ্রাসা অধ্য কামাল হোসাইনের বাসায় থেকে গৃহ পরিচারিকার কাজ করতো। এ সুযোগে অধ্য কামাল ওই ছাত্রীর সাথে বিভিন্ন সময় শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এব্যাপারে ওই ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে অধ্য কামাল হোসেনকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। আসামীকে গ্রেপ্তারে জন্য চেষ্টা চলছে বলেও জানান ওসি’।
কয়েক বছর আগেও এই অধ্যরে বিরুদ্ধে আলিম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধষর্ণের অভিযোগ উঠেছিলো। তখন বিষয়টি স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের হস্তেেপ ধামাচাপা দিতে তিনি সম হন। অধ্য কামাল প্রভাবশালী হওয়ায় অনেকেই তার বিরুদ্ধে মুখ খুলছে না।