খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে আদেশ বুধবার

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৯:৪৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ৩০, ২০১৯ | আপডেট: ৯:৪৭:অপরাহ্ণ, জুলাই ৩০, ২০১৯

ঢাকা: কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় করা জামিন আবেদনের শুনানি শেষ হয়েছে। আবেদনের ওপর আদেশ দেয়ার জন্য আগামীকাল বুধবার (৩১ জুলাই) দিন ধার্য্য করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেন। সএর আগে গত রবিবার (২৮ জুলাই) বেগম জিয়ার আইনজীবীর করা এক আবেদনের প্রেক্ষিতে আবেদনের ওপর পরবর্তী শুনানির জন্য একই আদালত আজকের দিন (৩০ জুলাই) নির্ধারণ করেছিলেন।

আদালতে বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, খন্দকার মাহবুব হোসেন ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন শুনানি করেন। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বুধবার দুপুর ২টায় পরবর্তী শুনানির সময় নির্ধারণ করেন। বুধবার শুনানি শেষে আদালতের আদেশ দেয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত ২৮ জুলাই খালেদা জিয়ার পক্ষে জামিনের আবেদন মেনশন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। আদালত এ আবেদনের ওপর শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ঠিক করে দেন।

গত ৩০ এপ্রিল জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের দেয়া সাজা বাতিল ও খালাস চেয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আপিল আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে অর্থদ- স্থগিত এবং সম্পত্তি জব্দের আদেশের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেন আদালত। তবে মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি গ্রহণ করেননি হাইকোর্ট। জামিনের আবেদনটি নথিভূক্ত করে দুই মাসের মধ্যে মামলার নথি তলব করা হয়। নথি পাওয়ার পর জামিন আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছিলেন আদালত।

গত ১৮ নভেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে আপিল আবেদন করেন বেগম খালেদা জিয়া। গত বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা টাকা জরিমানা করা হয়। রাজধানীর নাজিমুদ্দিন রোডে পুরোনো ঢাকা কেন্দ্রীয় করাগারে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, তার একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খানকেও একই দণ্ড দেন আদালত।