ঝালকাঠিতে ৪ মাস ধরে বেতন বন্ধ শিক্ষক-কর্মচারীদের সুপ্রিম কোর্টের আদেশও মানেন না স্কুল কমিটির সভাপতি !

প্রকাশিত: ৫:০৯ অপরাহ্ণ, জুন ২২, ২০১৯ | আপডেট: ৫:০৯:অপরাহ্ণ, জুন ২২, ২০১৯

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিকের দ্বন্দে ৪ মাস ধরে সকল শিক-কর্মচারীর বেতন বন্ধ রয়েছে। বেতন-ভাতা বন্ধ থাকায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন শিক-কর্মচারীরা।ঝালকাঠির বাউকাঠি বিন্দুবাসিনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মো:সোহরাব হোসেন সুপ্রিমকোর্টের আদেশ অমান্য করে প্রধান শিক সৈয়দ দেলোয়ার হোসেনকে বিদ্যালয়ে যোগদান করতে দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রধান শিক ও সভাপতির দন্দের জেরে ইতোপূর্বে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি প্রধান শিক সৈয়দ দেলোয়ার হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করলে সুপ্রিম কোর্ট তা স্থগিত করে। উক্ত আদেশ পেয়ে প্রধান শিক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেন। এর প্রেেিত শিা অধিদপ্তর গত ২৭ মে তার বরখাস্তাদেশ প্রতাহার ও বকেয়া ভাতাদির সরকারি অংশ পরিশোধ সংক্রান্ত এক পত্র ইস্যু করে এবং বকেয়া বেতন-ভাতাদি প্রদানের জন্য ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে নির্দেশ প্রদান করে। কিন্তু ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ সোহরাব হোসেন কারিকর সুপ্রিম কোর্টের আদেশ এবং মাউশির মহাপরিচালকের আদেশ মানছেন না। সুপ্রিম কোর্টের আদেশ মেনে তার বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাহার ও বেতন ভাতা উত্তোলনের জন্য সভাপতি বরাবর গত ৩০ মে লিখিত আবেদন করলেও দায়িত্ব বুঝে পাচ্ছেননা প্রধান শিক দেলোয়ার হোসেন। কমিটি গঠন নিয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক দ্বন্ধে জড়িয়ে পড়েন। প্তি হয়ে প্রধান শিকের কে তালা ঝুলিয়ে দেয় ম্যনেজিং কমিটির সভাপতি।
বিদ্যালয়ের সিনিয়ার শিক সুকুমার চন্দ্র রুদ্র জানান, আদালতের আদেশে দেলোয়ার হোসেন বৈধ প্রধান শিক। তিনি এসে দায়িত্ব নিলেই হয়। দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া ম্যানেজিং কমিটির কাজ। বেতন বিলে স্বার না হওয়ার সকল শিক-কর্মচারীর বেতন ভাতা বন্ধ রয়েছে।
প্রধান শিক সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমি বেতন বিলে স্বার করলে সভাপতি স্বার করবেন না বলে জানিয়ে দেন। যে কারনে বিদ্যালয়ের শিক কর্মচারীরা র্মাচ মাস থেকে বেতন ভাতা উত্তোলন করতে পারছেননা। এ বিষয় জানার জন্য স্কুল কমিটির সভাপতি মো: সোহরাব হোসেসেনের ব্যক্তিগত মুঠো ফোনে (০১৭১১৫৪৪৫৫২) একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।