নওগাঁর আত্রাইয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার মাছ নিধন

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৫:১৩ অপরাহ্ণ, জুন ১০, ২০১৯ | আপডেট: ৫:১৩:অপরাহ্ণ, জুন ১০, ২০১৯

রওশন আরাপারভীন শিলা নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ-

নওগাঁর আত্রাইয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে রাতের আধারে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সূত্রে ও ক্ষতি গ্রস্থ মাছ চাষি পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আহসান গঞ্জ ইউনিয়নের ব্রজপুরবয়রা পাড়া মৃত আলতাফ হোসেন মিনা কন্যা ইরিন মোহনা তন্নী মিনার বসতবাড়ি সংলগ্ন নিজ নামীয় একটি পুকুরে রুই,কাতলা,সিলভার কার্প সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করছেন। উক্ত পুকুর নিয়ে ১।

পাশর্^বত্তী রাজশাহী জেলার বাগমারা থানার বড় বিহানালী গ্রামের বর্তমান আত্রাই উপজেলার বিহারীপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর পুত্র ইউনুছ মাষ্টার (৫৫) ২। মোঃ সিরাজ মিনা(৪৫) পিতা মৃত-সোলাইমান মিনা ৩। মোঃ কামরুল মন্ডল (৪৮) পিতা মৃত জসীম মন্ডল (@) জানবক্স উভয় সাং ব্রজপুর বয়রা পাড়া ৪। মোজাফ্ফর (@) মন্টু (৫৫) পিতা মৃত কফিল ফকির সাং খলিফা পাড়া দীর্ঘ দিন যাবৎ শত্রুতা করে আসছে। তারই জের ধরে তারা গত ৬জুন বৃহস্পতিবার রাতে পুকুরে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে মাছ নিধন করে প্রায় ২লাখ ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে। পরদিন ৭ জুন আমার কেয়ার টেকার / কাজের লোক মোঃ আঃ সামাদ পুকুরে মাছের খাবার দিতে গিয়ে পুকুরে পানিতে মরা মাছ ভেসে থাকতে দেখেন।

ইরিন মোহনা তন্নী মিনা অভিযোগ করে বলেন, বাগমারা থানার বড় বিহানালী গ্রামের বর্তমান আত্রাই উপজেলার বিহারীপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর পুত্র ইউনুছ মাষ্টার (৫৫ নেতৃত্বে ও আমার আপন চাচা নজরুল মিনার হুকুমে আমার মাতা সামছুন নাহার বকুল রানী, আমার বোন তানজিলা আফরিন তারিন ও মিথিলার সহযোগীতায় উপস্থিতিতে একই গ্রামে। মোঃ সিরাজ মিনা,মোঃ কামরুল মন্ডল,খলিফা পাড়া গ্রামেরমোজাফ্ফর (@) মন্টু৬/৭জন দলবদ্ধ হয়ে মাছগুলো লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার দিন আমি বাড়িতে ছিলাম না ঢাকায় ছিলাম। খবর পেয়ে ঢাকা থেকে বাড়িতে এসে আমার কেয়ার টেকার আঃ সামাদ ও গ্রাম বাসির নিকট পুকুরে বিষ প্রয়োগ বিষয়ে জানতে জানি ও শুনি। এ মসয় তাদের কাছে পুকুরে বিষ প্রয়োগ ও মাছ লুটের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা তাকে প্রাণ নাশের হুমকি দিলে তিনি প্রাণ ভয়ে ঘটনারস্থল থেকে চলে যেতে বাধ্য হন। পরে তিনি আত্রাই থানায় উপস্থিত হয়ে একটি লিখিত জিডি করেন আত্রাই থানা জিডি নং২২৯তারিখ ০৮-০৬/১৯ইং।

এবিষয়ে আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মোবারক হোসেন জানান, সেখানে মাছ চাষ,জমি-জমা নিয়ে দ্বন্ধ দীর্ঘ দিনের। এর আগেও জমি-জমা নিয়ে উভয় পক্ষের দ্বন্ধ বাঁধলে থানায় নিয়ে মিমাংশার জন্য বসা হয়েছিল। উভয় পক্ষই নিজেদের মধ্যে মিমাংশা করে নিবে বলে থানা থেকে চলে যায়। গত ০৮/০৬/১৯ইং তাং পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করা হয়েছে মর্মে থানায় একটি লিখিত জিডি করেন। জিডির আলোকে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা করা হবে।#