স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে : বন্ধুর সাথে পরকীয়া !

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১০:০১ অপরাহ্ণ, জুন ২, ২০১৯ | আপডেট: ১০:১০:অপরাহ্ণ, জুন ২, ২০১৯

পরকিয়ায় মানেনা ধনী-গরিব, জাত বেদাবেদ। বর্তমানে পরকিয়া হচ্ছে একটি ভাইরাস ব্যাধি। পরকিয়ার ছোয়া লেগে আছে সারা বিশ্বে।

তারই ধারাবাহিকতায় ভারতের পুরুলিয়ার গোয়ালাডিতে এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক করার অভিযোগে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয় ওই যুবককে। রেললাইনের ধার থেকে ওই যুবকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করা হয়।

গোয়ালডি গ্রামের বাসিন্দা অশ্বিনী গোপের মেয়ে পদ্মাবতীর সঙ্গেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল ললিতের। মাত্র ১২ বছর বয়সী পদ্মাবতীর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তার। তাদের সংসারে দুই সন্তানও হয়। কিন্তু, তারপরই দাম্পত্য কলহের কারনে স্ত্রী পদ্মাবতীকে তার বাবার বাড়িতে রেখে যায়। সেখানে পদ্ধাবতী ৪বছর থাকেন বাবার বাড়িতে।

অথচ কলেজে পড়ালেখার সময় ললিতের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল পদ্মাবতীর। যদিও বাবার বাড়িতে ফিরে আসার পর নতুন করে ললিতের সঙ্গে সম্পর্ক দানা বাঁধে পদ্মাবতীর। ইতোমধ্যে ললিতেরও বিয়ে হয়েছে। একটি সন্তানও আছে তার। তবে একথা পদ্মাবতীর কাছে গোপন করে ললিত। তাদের দু’জনের মধ্যে ধীরে ধীরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

কিন্তু, বিবাহিত মেয়ের পর পুরুষের সঙ্গে প্রেম মেনে নিতে পারেনি পদ্মাবতীর পরিবার। সেই রাগে-ক্ষোভেই ললিতকে খুন করে পদ্মাবতীর বাবা অশ্বিনী গোপ, দদা ইন্দ্রজিত গোপ ও খুড়তুতো ভাই কমল গোপ।

তাই ফোন করে ডেকে নিয়ে যায় ললিতকে। এর পরই নিখোঁজ হয়ে যান ললিত। পরে রেললাইনের ধারে রক্তাক্ত অবস্থায় ললিতকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেয় চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।