আজ কলাপাড়া মুক্ত দিবস, মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৭:৫২ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৬, ২০১৭ | আপডেট: ৭:৫৬:পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৬, ২০১৭
আজ কলাপাড়া মুক্ত দিবস,  মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ

আজ ৬ ডিসেম্বর পটুয়াখালীর কলাপাড়া মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে হানাদার বাহিনীর কবল থেকে সাগরপাড়ের কলাপাড়াকে শত্রুমুক্ত করেন অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধারা। পাকিস্তানী শত্রুদের কবল থেকে মুক্ত করতে সেদিন ৬ ঘন্টা যুদ্ধ করেন মুক্তিযোদ্ধারা। কলাপাড়া থানা দখল করে মুক্তিযোদ্ধারা উড়িয়ে দেন স্বাধীন বাংলার আকাশে লাল-সবুজের পতাকা। এই দিনটি কলাপাড়াবাসীর কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে আসছে।

সেদিন যুদ্ধ পরিচালনার কঠিন দায়িত্ব পালন করেন ভারতের দেরাদুনে প্রশিক্ষণ নেয়া অসীম সাহসী মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুল্লাহ রানা। তিনি জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫ ডিসেম্বর রাত ৮টায় মুক্তিযোদ্ধারা কলাপাড়া থানা আক্রমন করেন। কমান্ডার রেজাউল করিম বিশ্বাস, ডেপুটি কমান্ডার হাবিবুল্লাহ রানা, এসএম নাজমুল হুদা সালেক, শাহআলম তালুকদার, সাজ্জাদুল ইসলাম বিশ্বাস, আরিফুর রহমান মুকুল খান, সেনাবাহিনীর নায়েক আহম্মেদ আলী, নায়েক আশরাফ আলী, আবু তালেবসহ ৯ জন বিএলএফ যোদ্ধা সম্মুখ যুদ্ধো অংশ নেন ।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কলাপাড়া থানা কমান্ডের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার হাবিবুল্লাহ রানা বলেন, ‘কলাপাড়া থানায় পাকিস্তানী শত্রু অবস্থান করছিল। থানার তিনদিক থেকে এবং দক্ষিণ দিকে আন্ধারমানিক নদীতে থাকা ‘ভাট্টি’ নামের জাহাজ থেকে একযোগে থানায় আক্রমন করা হয়। পাকিস্তানীরাও পাল্টা প্রতিরোধ করে। তবে আমাদের সম্মিলিত আক্রমনের কারণে পিছু হটে হানাদার বাহিনী। এ সময় থানায় অবস্থান করা রাজাকার সিদ্দিকুর রহমান ওরফে সিদ্দিক বিহারীসহ হানাদার বাহিনীর কতিপয় সদস্য পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।’
এ দিবসটি পালনে কলাপাড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে আলোচনা সভা, দিনভর বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার ছাড়াও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।