ঝালকাঠিতে লঞ্চের কেবিনের কৃত্রিম সংকট

প্রকাশিত: ১:০১ অপরাহ্ণ, মে ২২, ২০১৯ | আপডেট: ১:০১:অপরাহ্ণ, মে ২২, ২০১৯

পবিত্র ঈদুল ফিতরের বাকি এখনো ১৫দিন। এরই মধ্যে ঈদে ঘরমুখো মানুষের জন্য ঝালকাঠি-ঢাকা-ঝালকাঠি রুটে চলাচলকারী বেসরকারি লঞ্চের কেবিনের ফিরতি টিকিটের কৃত্রিম সংকট শুরু হয়েছে। ঝালকাঠি থেকে ঢাকা এবং ঢাকা থেতে ঝালকাঠির উদ্দেশ্যে প্রতিদিন ১টি করে লঞ্চ ছেড়ে যায়। এই রুটে পালাক্রমে ফারহান-৭ এবং সুন্দরবন-১২ যাতায়াত করছে। লঞ্চের স্থানীয় প্রতিনিধিরা জানান, ঈদের পরে ঢাকা গামী লঞ্চের কেবিন বুকিং শেষ হয়ে গেছে। এখন আর কোন কেবিন ফাঁকা নেই।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, ফারহান-৭ এবং সুন্দরবন-১২ লঞ্চ দুটিতে ঈদেও আগে ঝালকাঠিতে আসার জন্য কেবিন ফাঁকা আছে। এখনও বিভিন্ন লোকজন তাঁদের প্রয়োজনে কেবিন বুকিং দিচ্ছে। কিন্তু ঈদের পরে ঝালকাঠি থেকে ঢাকাগামী লঞ্চের কোন কেবিনই ফাঁকা পাওয়া যাচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে ঈদের বাকি এখনও ১৫দিন। তারপরেও ঘরমুখো মানুষের ফিরতি টিকিট কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে উচ্চ মূল্যে বুকিং দেয়া হবে গোপনে। যারা বেশি টাকা দিবে তারাই কেরিন পাবে।
প্রতিটি লঞ্চের সিঙ্গেল কেবিন ১২শ টাকা এবং ডাবল কেবিন ২৫শ টাকায় ঢাকা থেকে আগন্তুকদের বুকিং দেয়া হচ্ছে। কিন্তু একই দামে ঝালকাঠি থেকে ফিরতি টিকিট বুকিং দিতে গেলে কৃত্রিম সংকট দেখানো হয়। লঞ্চের স্থানীয় এজেন্টরা পরে সুযোগ বুঁজে অতিরিক্ত দামে বুকিং দিবে বলে অভিযোগ করেন সাধারণ যাত্রীরা।
সুন্দরবন লঞ্চের স্থানীয় প্রতিনিধি মোঃ হানিফ জানান, ঢাকা থেকে আসলে কেবিনের টিকিট পাওয়া যায়। কিন্তু যারা এখান থেকে যাবেন সে কেবিন বুকিং হয়ে গেছে। একই কথা জানালেন ফারহান লঞ্চের স্থানীয় প্রতিনিধি মেজর জলিল নামে পরিচিত আব্দুল জলিল।