স্কুলের সামন থেকে তুলে নিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ!

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৫:৩১ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৮, ২০১৯ | আপডেট: ৫:৩১:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৮, ২০১৯

নোয়াখালীর সেনবাগে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিদ্যালয়ের সামনে থেকে অটোরিকশায় তুলে একটি গ্যারেজে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। রোববার শিশুটির মা বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় মামলাটি করেন।

কিন্তু থানা-পুলিশের লিখে দেওয়া মামলার এজাহারে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত মো. রাজু ওরফে রাজনকে (২০) একমাত্র আসামি করা হয়েছে। বাদ দেওয়া হয়েছে রাজনকে চৌকিদারের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের নাম।

নির্যাতনের শিকার শিশুটি বর্তমানে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শিশুটির মা বলেন, গত শনিবার সন্ধ্যায় ও গতকাল রোববার সকালে তিনি থানায় গিয়ে কীভাবে তাঁর মেয়েকে আসামি রাজন তুলে নিয়ে গেছেন, কোথায় ধর্ষণ করেছেন, পরে আসামিকে সঙ্গে নিয়ে চৌকিদার থানায় যাওয়ার পথে কারা আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছেন, তার পুরো ঘটনা বর্ণনা করেছেন। পুলিশ মামলার এজাহার লিখেছে। তিনি তা পড়ে দেখেননি। যেখানে সই করতে বলা হয়েছে, তিনি সেখানে সই করেছেন। কিন্তু আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের নাম এজাহারে না থাকার বিষয়ে তিনি জানেন না।

চৌকিদার সামছুল হক ওরফে সামু বলেন, আসামি রাজনের দুই হাত বেঁধে অটোরিকশায় করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পথে ছয়-সাতজন মোটরসাইকেলে করে এসে অটোরিকশার গতি রোধ করে রাজনকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। তিনি পুরো ঘটনা পুলিশের কাছে বর্ণনা করেছেন।

সেনবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল আলী পাটোয়ারি বলেন, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. রাজু ওরফে রাজনকে মামলার একমাত্র আসামি করা হয়েছে। কিন্তু চৌকিদারের কাছ থেকে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়াদের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। ওসি স্যার জানেন।

উল্লেখ্য, গত শনিবার দুপুরে সেনবাগ উপজেলার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে বিদ্যালয়ের সামনে থেকে অটোরিকশায় তুলে একটি গ্যারেজে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। মেয়েটি বাড়িতে এসে মাকে ঘটনাটি জানায়। পরে কৌশলে রাজনকে আটক করে গ্রামবাসীকে খবর দেওয়া হয়। গ্রামবাসী তাঁকে চৌকিদারের মাধ্যমে থানায় পাঠালে পথে রাজনকে ছিনিয়ে নেয় তাঁর সঙ্গীরা।