ভোটকেন্দ্রে দীর্ঘ লাইন

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১১, ২০১৯ | আপডেট: ১০:০৯:পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১১, ২০১৯

ঢাকা: দীর্ঘ ২৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান হওয়া ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে উৎসবের আমেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকাজুড়ে। নেতৃত্ব বাছাইয়ে শিক্ষার্থীদের কতোটা আগ্রহ তার প্রমাণ ভোটারদের দীর্ঘ সারি।

সোমবার (১১ মার্চ) সকাল ৮টায় ভোট শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হলগুলোর ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শহীদুল্লাহ হলের ভোটকেন্দ্রের সামনে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। একটি লাইনে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার কারণে লাইন ছাড়িয়েছে হলের বাইরের রাস্তায়ও।

তবে এ দীর্ঘ লাইনকে সাজানো বলেও অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ। তাদের অভিযোগ, সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভোট প্রয়োগে ব্যাঘাত ঘটাতে একটি নির্দিষ্ট মহল মিথ্যে সারি সাজিয়ে রেখেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দীর্ঘ লাইন থাকা সত্ত্বেও ভোটকেন্দ্রে ভোটার প্রবেশে ধীরগতি রয়েছে। তবে পরিচয়পত্র দেখে দেখে ভোটারদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। এ হলের ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট দিতে দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের।

গণিত বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম বলেন, ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের সময়ই পরিচয়পত্র চেক করা হচ্ছে। ভোট প্রক্রিয়া শেষে পরিচয়পত্রে ছিদ্র করে দেওয়া হচ্ছে। সুতরাং আমি মনে করি, এখানে জাল ভোট দেওয়ার সুযোগ নাই।

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ভোট দিতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান এবং খুশি বলে জানিয়েছেন তিনি।

ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোটা সংস্কার আন্দোলনের নূরুল হক নূর শহীদুল্লাহ হলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আসেন। এরপর তিনি বাংলানিউজকে বলেন, একটি ছাত্র সংগঠন যারা হলে প্রভাব বিস্তার করে রেখেছে, তাদের নেতৃত্বে ভোটার ছাড়াও অন্যদের দিয়ে দীর্ঘ জটলা তৈরি করে রেখেছে। তাদের কর্মীদের লাইনে দাঁড়িয়ে জটলা সৃষ্টির জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের একটি লাইন থাকা সত্ত্বেও বিপুল সংখ্যক বাড়তি মানুষ প্রশাসনের আশ-পাশে ঘোরাফেরা করছে।

তবে এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, কোনোভাবেই একজন শিক্ষার্থীর দু’বার ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই। আর যারা সকাল থেকে লাইনে অপেক্ষা করছেন তাদের সবাই ভোটার।

  • বাংলানিউজ