আমি বাংলা সাহিত্যের ছাত্রী, কিন্তু আমি একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারের মা

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৭:৫০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৯ | আপডেট: ৭:৫০:অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার ছেলে জয় একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার। আমরা তার পরামর্শে বাংলাদেশে কম্পিউটার ট্রেনিং দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। কম্পিউটার এর উপর থেকে ট্যাক্স তুলে দিয়েছি।

আমি বাংলা সাহিত্যের ছাত্রী, কিন্তু আমি একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারের মা। দেশেকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করতে প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। আর সেটা নিরলস ভাবে করে যাচ্ছেন প্রকৌশলীরা।

মঙ্গলবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় হোটেল সোনারগাঁওয়ে এনআরবি প্রকৌশলীদের সম্মেলন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রকৌশলীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের যেসব মেধাবী প্রকৌশলী প্রবাসে আছেন তারা দেশকে আরও সমৃদ্ধশালী গড়ে তোলার যে চিন্তা করছেন তাকে স্বাগত জানাই। প্রবাসীদের এই উদ্যোগ আমাদের চলার পথকে আরও গতিশীল করবে।

এ ছাড়া ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি তা সহায়ক হবে। দেশের উন্নয়নে জ্ঞান ও দক্ষতাকে আরও বেশি করে কাজে লাগান। নিজ গ্রামের মানুষের উন্নয়নে এগিয়ে আসুন।

আমাদের প্রবাসীরা প্রতিটি আন্দোলন, সংগ্রাম মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সকল আন্দোলনে প্রবাসীরা একটি বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন। প্রবাসীদের অবদান আমাদের দেশে রয়েছে।

শুধু তাই নয়, প্রবাসীদের অর্থ দেশের অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখে। সেদিক থেকে প্রবাসীদের সবসময় সম্মানের চোখে দেখি। দেশে পরিকল্পিত বিনিয়োগ করতে প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু দৃশ্যমান, কর্ণফুলী ট্যানেলের খনন কাজের উদ্বোধন করেছি। যাতে ঢাকার সাথে সমস্ত দেশের যোগাযোগ যেনো দ্রুত হয় সেই ব্যবস্থা করছি। দ্রুতগামী রেলও ব্যবস্থা নিচ্ছি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাস করছে বাংলাদেশের অসংখ্য প্রকৌশলী।

তাদের অনেকে বড় কোম্পানিতে গুরু দায়িত্বে রয়েছেন। কেউবা বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা বা শিক্ষকতা করছেন। কেউ করছেন ব্যবসা। এ মেধাবী প্রকৌশলীদের মাঝে অনেকে আছেন যারা বাংলাদেশের জন্য কিছু করছেন অথবা করতে চাচ্ছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা জাতির পিতার নির্দেশিত সংবিধান মোতাবেক বেসরকারি খাতকে বেশি গুরুত্ব দেই। মনে রাখতে হবে, একটা জিনিসের দিকে তাকিয়ে থেকে দেশ চলতে পারে না।

রপ্তানিকে বহুমুখীকরণ করতে হবে। সারা দেশে ডিজিটাল সুবিধা পৌঁছে গেছে, হাইটেক পার্ক ও ডিজিটাল সেন্টারগুলোর সুফল পাচ্ছে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ। এতে দেশে বাড়ছে সাক্ষরতার হার।