সততার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন: প্রধানমন্ত্রী

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৪:১৩ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১৯ | আপডেট: ৪:১৩:অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১৯

দেশ ও জাতির কল্যাণে সশস্ত্র বাহিনীকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘দেশ ও জাতির কল্যাণে গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রাখতে সশস্ত্র বাহিনীকে ভূমিকা রাখতে হবে। কঠোর পরিশ্রম এবং অধ্যবসায়ের মাধ্যমে আপনারা সমর বিজ্ঞানের ওপর উচ্চতর জ্ঞান লাভ করেছেন। এখান থেকে অর্জিত জ্ঞান যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আত্মপ্রত্যয়ী হতে শেখাবে। ভবিষ্যতে বৃহৎ নেতৃত্ব প্রদানে আপনারা নিজেদের প্রস্তুত রাখবেন। সততার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। এটাই আমি আশা করি।

 

বৃহস্পতিবার সকালে মিরপুর সেনানিবাসে সামরিক বাহিনী কমান্ড অ্যান্ড ডিফেন্স কলেজে কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সামরিক বাহিনীর গ্র্যাজুয়েটসদের সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনেরও আহ্বান জানান সরকারপ্রধান।

 

যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সশস্ত্র বাহিনীকে আরো আধুনিকায়ন করা হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার করে যাওয়া জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতিমালার আলোকে যুগোপযোগী প্রতিরক্ষা নীতিমালা করা হয়েছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে আমরা সেভাবেই সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন করছি।

 

বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে সম্মান পাচ্ছে জানিয়েছে সরকারপ্রধান বলেন, আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছি। জাতির পিতা স্বাধীনতার পর একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে গড়ে গিয়েছিলেন। আজ আমরা উন্নয়নশীল দেশ। আজকের বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে সম্মান পাচ্ছে।

 

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশকে এক সময় বিশ্ববাসী দুর্নীতি, দুর্বৃত্তায়ন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য চিনতো। তবে সে অবস্থা এখন আর নেই। আমাদের জিডিপি বেড়েছে। রাস্তাঘাটের উন্নতি হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে। আমরা স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশ করেছি, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলেছে। মানুষের আয় এবং জীবনযাত্রার মানও বেড়েছে। সুনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

 

নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করা ছিল আমাদের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে অনেকেই যখন সেতু নির্মাণ থেকে সরে দাঁড়ায়, তখন আমরা বলেছিলাম নিজস্ব অর্থায়নে সেতু করবো। এই একটি সিদ্ধান্তই বিশ্বের কাছে আমাদের ভাবমূর্তি বদলে দিয়েছে। বিশ্ববাসী এখন জেনেছে আমরাও পারি।