খালেদ হোসেন স্বপনকে পূনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে চায় বাবুগঞ্জবাসী

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০১৯ | আপডেট: ১০:৪৩:পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০১৯

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরব হচ্ছে বাবুগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গন। উত্তাপ ছড়াচ্ছে গ্রামগঞ্জের চায়ের দোকান থেকে শহর পর্যন্ত। ফেইসবুক ব্যবহারকারীরা নিজেদের পচন্দের প্রার্থীর পক্ষে বিভিন্নভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী আগামী ফেব্রয়িারি মাসেই হবে তফসিল ঘোষণা।

ভৌগলিকভাবে বাবুগঞ্জ বরিশালের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপজেলা। বরিশাল সদরের সন্নিকটে হওয়ায় রাজনৈতিক বিবেচনায় এই উপজেলার গুরুত্ব অন্য সব উপজেলার চেয়ে আলাদা। দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র বিমানবন্দর এই উপজেলায় অবস্থিত হওয়ায় দেশের সকল রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ গুরুত্বপূর্ণ লোকদের আনাগোনা এখানে অনেক বেশি। তাছাড়া বরিশালের রাজনীতিতে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে নিকটবর্তী উপজেলা হিসেবে এখানকার লোকেরা সবচেয়ে বেশি অবদান রাখতে পারে। এসব বিবেচনায় এই উপজেলার প্রতি সবার আলাদা নজর রয়েছে।সব দলই চায় এই উপজেলায় তাদের প্রভাব বিস্তার করতে।

বাবুগঞ্জ উপজেলায় একসময় খুব অল্পসংখ্যক লোক আওয়ামীলীগকে করতেন। হাতেগোনা যারা আওয়ামীলীগ করতেন তারাও কথা বলতে পারতেন না বিরোধী শিবিরের ভয়ে! যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে আওয়ামীলীগ এখানে অনেকটা অগোছালো ছিল। লোকবলের অভাবে কোনো মিছিল-মিটিং-প্রোগ্রাম সফল করা সম্ভব হতোনা। এসব দেখে দক্ষিণাঞ্চল আওয়ামীলীগের অবিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ্ (এমপি) খালেদ হোসেন স্বপনকে বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের দায়িত্ব দেন এবং দল গোছাতে বলেন। এরপর থেকে তাঁর যোগ্য নেতৃত্বে এই উপজেলায় আওয়ামীলীগের অবস্থান সুদৃঢ় হতে থাকে। খালেদ হোসেন স্বপনের নেতৃত্বে বর্তমানে এই উপজেলায় আওয়ামীলীগ অনেকটা শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত করতে এসে খালেদ হোসেন স্বপন অনেক বাধার সম্মুখীন হয়েছেন, অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আওয়ামী বিরোধী শক্তি যখন বুঝতে পেরেছে যে, বাবুগঞ্জ আওয়ামীলীগের দায়িত্ব তাঁর কাঁধে থাকলে তারা ক্রমশ দুর্বল হয়ে পরবে, তখন তারা এস এম খালেদ হোসেন স্বপনের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র করতে থাকে। জোট সরকারের আমলে তাঁর বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা সহ বিভিন্নভাবে হামলা করতে থাকে। এরই অংশ হিসেবে ততকালীন জোট সরকারের আমলে খালেদ হোসেন স্বপন তাঁর বাবা-চাচার সাথে একত্রে জেল খাটেন(এমন উদাহরণ সারা দেশে বিরল)। তারপরেও যখন বিরোধী শক্তি তাঁকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে পারেননি, তখন তারা তাঁর বাবাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে (যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বরিশালের জনসভায় উল্লেখ করেছিলেন)। এতকিছু করেও খালেদ হোসেন স্বপনকে দমিয়ে রাখা যায়নি। তিনি এগিয়ে চলেছেন দুর্বার গতিতে

খালেদ হোসেন স্বপন বাবুগঞ্জ আওয়ামীলীগকে নেতৃত্ব দিয়ে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাঁর ব্যক্তিগত ইমেজের কারণে তিঁনি এখন বাবুগঞ্জের সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং জনপ্রিয় নেতা। বাবুগঞ্জের প্রতিটি ইউনিয়নে রয়েছে তাঁর নিজস্ব ভোট ব্যাংক, যা বাবুগঞ্জের অন্য কোনো আওয়ামীলীগ নেতার নেই। যার প্রমাণ ২০০৯ সালে উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েও খালেদ হোসেন স্বপন আওয়ামীলীগের প্রার্থীর চেয়ে অনেক বেশি ভোট পান এবং বিএনপি প্রার্থীর কাছে সামান্য কিছু ভোটে পরাজিত হন। ঐ সময়ে বাবুগঞ্জ আওয়ামীলীগ তাঁর পাশে ছিলনা, তবুও তিনি জনগনের ভালবাসায় এগিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে তিনি আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। খালেদ হোসেন স্বপন বাবুগঞ্জ আওয়ামীলীগের তিন-তিনবারের নির্বাচিত সফল সাধারণ সম্পাদক। জনগণের ভালবাসা এবং আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের সমর্থনে তিনি এটা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে তিনি এলাকার উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তিনি উপজেলার বরাদ্দের বাইরেও মন্ত্রণালয়ে ছোটাছুটি করে বিভিন্ন কাজ এনে বাবুগঞ্জে করছেন। বাবুগঞ্জবাসীর জন্য তিনি ছুটে চলেছেন এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। তাঁর মত বাড়িতে বাড়িতে যাওয়া উপজেলা চেয়ারম্যান বাবুগঞ্জবাসী এর আগে কখনো পায়নি। কারো মৃত্যুর খবর, বিপদের খবর শুনলেই তিঁনি সেখানে ছুটে যাচ্ছেন,পাশে দাড়াচ্ছেন।এক্ষেত্রে তিঁনি দল মত বিবেচনায় না এনে মানবিক দিক বিবেচনা করছেন।তাঁর এ অবিরাম ছুটে চলা দেখে অনেকে আশ্চর্য হচ্ছেন! অনেকে ভাবছেন- একজন মানুষ কিভাবে এতো পারে? তিঁনি পারেন কারন তিঁনি পার্টটাইম রাজনীতিবিদ নন; তিনি ফুল টাইম রাজনীতিবিদ।

খালেদ হোসেন স্বপনের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল সবসময় তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।তাঁকে কিভাবে বাবুগঞ্জের রাজনীতি থেকে মাইনাস করা যায় সেই চেষ্টায় তারা সবসময় লিপ্ত।কিন্তু তাঁর উপরে জনগণের ভালবাসা এবং দক্ষিণাঞ্চল আওয়ামীলীগের অবিভাবকের আস্থা থাকায় তা বারবার ব্যর্থতায় পর্যবসিত হচ্ছে।

দক্ষিণবঙ্গের আওয়ামী রাজনীতির অবিভাবক, দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের রূপকার আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ্(এমপি) এর কাছে সদ্য উন্নয়নের ছোঁয়া লাগা বাবুগঞ্জবাসীর একটাই অনুরোধ বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের শক্তিশালী অবস্থান ধরে রাখতে এবং মহাজোট সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে বাবুগঞ্জ আওয়ামীলীগের তিন-তিনবারের নির্বাচিত সফল সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সফল উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম খালেদ হোসেন স্বপনকে পূনরায় উন্নয়নের মার্কা, বঙ্গবন্ধুর মার্কা, শেখ হাসিনার মার্কা “নৌকা” উপহার দিয়ে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করে বাবুগঞ্জবাসীকে একজন যোগ্য উপজেলা চেয়ারম্যান উপহার দেয়া হোক।