শেষ মুহূর্তে পাল্টে গেলো মমতাজের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও স্বামীর নাম

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৬:১৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৮, ২০১৮ | আপডেট: ৬:৩৩:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৮, ২০১৮

নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে পাল্টে গেছে কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও স্বামীর নাম। এ জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের আবেদন করেছিলেন।

গত মঙ্গলবার সংশোধিত জাতীয় পরিচয়পত্র হাতে পেয়েছেন আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া এই সংসদ সদস্য।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, তফসিল ঘোষণার পর থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ও স্থানান্তর কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে আইন অনুযায়ী, কমিশনের অনুমোদন নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করার সুযোগ রয়েছে। সেই অনুযায়ীই সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের আবেদন অনুমোদিত হয়েছে।

সূত্র জানায়, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফরমে লোকসংগীতের জনপ্রিয় এই শিল্পীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল পঞ্চম শ্রেণি। আর তার স্বামীর নাম ছিল রমজান আলী। তবে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধনের ফরমে তিনি শিক্ষাগত শিক্ষাগত যোগ্যতা দশম শ্রেণিতে উন্নীত করার আবেদন জানিয়েছেন। একইসঙ্গে স্বামীর নাম বদলে এ এস এম মঈন হাসান করার আবেদন করেছেন। আবেদন ফরমের সঙ্গে তিনি পাসপোর্ট, বিবাহ সনদ ও স্কুলের ১০ শ্রেণির প্রশংসাপত্র জমা দিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে মমতাজ বেগমের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে তার ব্যক্তিগত সহকারী মাহমুদুর রহমান জুয়েলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয়।

মমতাজ বেগমের জাতীয় পরিচয়পত্রে তথ্য সংশোধনীর কথা স্বীকার করে জুয়েল বলেন, তার জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুলক্রমে শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণি হয়ে গিয়েছিল। স্বামীর নামটিও ভুল ছিল। এসব তথ্য সংশোধনের জন্য তিনি আবেদন করেছিলেন নির্বাচন কমিশনে।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে সংরক্ষিত নারী আসনের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মমতাজ। পরে ২০১৪ সালে তিনি মানিকগঞ্জ-২ আসনে নৌকা প্রতীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি একই আসন থেকে নৌকার টিকেট পেয়েছেন। রোববার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয় থেকে তিনি নৌকা প্রতীকে মনোনয়নের চিঠি সংগ্রহ করেন।