বরিশাল বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তারেক রহমান

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৮:০৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৯, ২০১৮ | আপডেট: ৮:১৮:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৯, ২০১৮

মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দ্বিতীয় দিনের সাক্ষাৎকার শুরু হয়েছে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের এ সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আছেন মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরাও।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে সোমবার সকাল ৯টার কিছু সময় পর শুরু হয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার।

সোমবার সকালে বরিশাল বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়।বরিশাল-১ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকারের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দ্বিতীয় দিনের প্রার্থী বাছাই কার্যক্রম। প্রথমেই বরিশাল-১ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রকৌশলী আবদুস সোবহানকে ডাকা হয়। কি কারণে প্রার্থী হয়েছেন তার কাছে জানতে চায় মনোনয়ন বোর্ড।

এর পর একে একে অন্য প্রার্থীদেরও ডাকা হয়। ভিডিও কনফারেন্সে তাদের বিভিন্ন প্রশ্ন করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন- বরিশাল-১ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকারের মধ্য দিয়ে বিএনপির দ্বিতীয় দিনের প্রার্থী বাছাই কার্যক্রমের সাক্ষাৎকার পর্ব শুরু হয়।

জানা গেছে- তারেক রহমান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করছেন। বিশেষ করে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তাদের ভূমিকা এবং নিজ নিজ এলাকায় সাংগঠনিক অবস্থা সম্পর্কে তিনি জানতে চাইছেন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, মাহবুবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী মনোনয়ন বোর্ডে রয়েছেন।

মনোনয়নপ্রত্যাশী নিজ এলাকার কর্মী-সমর্থকদের আগলে রাখতে পারবেন কিনা, সে বিষয়ে বারবার জানতে চাইছে দলীয় মনোনয়ন বোর্ড। নির্বাচনী লড়াইয়ে প্রার্থী শেষ পর্যন্ত ব্যাপক সমর্থন নিয়ে টিকে থাকতে পারবেন কিনা, সেদিকে ফোকাস তারেক রহমানেরও।সাক্ষাৎকারের শুরুতেই বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা মনোনয়নপ্রত্যাশীদের জানিয়েছেন, কোন নেতার কী অবদান, বিগত ১২ বছর কে কী করেছেন, সে খবর দলের কাছে আছে। এর পরই প্রার্থীর কাছে প্রশ্ন করা হচ্ছে- এই ১২ বছর প্রার্থী সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারি দলের দ্বারা কী ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছেন? তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পাশে কীভাবে ছিলেন? এবং নিজে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন?

এর পর সাক্ষাৎকারে জানতে চাওয়া হচ্ছে, এলাকায় প্রার্থীর অবস্থান কতটা শক্তিশালী। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে ভোটের লড়াইয়ে থাকতে পারবেন কিনা?

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সোমবার বরিশাল ও খুলনা বিভাগ; মঙ্গলবার চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও সিলেট; বুধবার ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও ঢাকা বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার হবে।

১২-১৬ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কাছে ফরম বিক্রি করে বিএনপি। শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির হিসাব আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় বিএনপি।

দলটি সর্বোচ্চসংখ্যক ৪ হাজার ৫৮০ মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে।’