পরিবহন ধর্মঘটে ভোগান্তিতে ঝালকাঠির ১৭ রুটের যাত্রীরা

প্রকাশিত: ৫:১৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৮, ২০১৮ | আপডেট: ৫:৪৭:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৮, ২০১৮

সংসদে সদ্য পাস হওয়া ‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’-এর কয়েকটি ধারা সংশোধনসহ ৮ দফা দাবিতে রোববার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে সারাদেশে ৪৮ ঘণ্টার পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন। সকাল থেকে সকল ধরনের যাত্রীবাহি পরিবহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এতে ঝালকাঠির ১৭ রুটে চলাচলকারী যাত্রীদের সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। ঝালকাঠি থেকে বরিশাল, খুলনা, পিরোজপুর, বরগুনা, ভান্ডারিয়া, নলছিটি, পাথরঘাটা, মঠবাড়িয়াসহ অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার ১৭টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় বাড়ি থেকে অফিস এবং প্রয়োজনীয় কাজের জন্য গন্তব্যে যেতে ভোগান্তি, বিলম্ব ও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের। তারা সকালে বাড়ি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যেশ্যে বের হলেও গাড়ি না থাকায় রাস্তায় দাড়িয়ে আছে। নিকটবর্তি গন্তব্যের অনেকেই বাসের অপেক্ষা না করে পায়ে হেটে পৌছানোর চেষ্টা করছে।

পরিবহন না চলাচল না করার কারণে যাত্রীর ত‚লনায় সংকট দেখা দিয়েছে স্থানীয় পরিবহনেরও। রিক্সা, ভ্যান, অটো. ম্যাজিক, মাহেন্দ্র, লেগুনা, টেক্সি, রেন্টে মোটর সাইকেলের চাহিদা বেড়ে গেছে কয়েকগুণে। ধর্মঘটে ভোগান্তিতে পড়া যাত্রীদের কাছ থেকে নিয়মিত নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ রাখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ যাত্রীদের । শ্রমিক নেতারা বলেন, দুর্ঘটনা মামলায় তদন্ত করে অপরাধী হিসেবে বিচারে ৩০২ ধারায় শ্রমিকদের ফাঁসি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এমনিতেই প্রতিমুহ‚র্তে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে পরিবহন শ্রমিকরা রাস্তায় গাড়ি চালান। এরপর আবার বিচারের মাধ্যমে মৃত্যুর ঝুঁকি। এ কারণে শ্রমিকরা আতঙ্কিত হয়ে পেশা ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা শুরু করে দিয়েছেন। এ অবস্থায় এ আইনের সংশোধন করা ও বর্তমান উদ্ভ‚ত পরিস্থিতিতে সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে আমরা ৮ দফা দাবি তুলেছি। একই লক্ষ্যে ভোর ছয়টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘট শুরু হয়েছে।