বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবায় ডাঃ আবদুল্লাহ আল মারুফ হতে পাড়ে জাতির গৌরব

ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ আহমেদ

সিনিয়র রিপোর্টার

প্রকাশিত: ১০:৫৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৬, ২০১৮ | আপডেট: ১০:৫৭:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৬, ২০১৮

ফয়েজ আহমেদ,দশমিনা থেকে।।

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী,প্রভাষক(অব) মইন উদ্দীন হেলালীর পুত্র ডা মোঃ আব্দুল্লাহ আল-মারুফ,ডি- অর্থো রেসিডেন্ট, এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ( সাবেক দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল)জানালেন,তার ডাক্তারী পেষাগত জীবনে প্রথম অত্যান্ত ঝুকিপুর্ন একটি সার্জারীর কাহীনি।যা এখন আপনাদের সামনে তুলে ধরছি-অনেক রক্তক্ষরণের কারণে রোগী হাইপোভলিউমিক শকে চলে গিয়েছিল।হেমোডাইনামিক্যালি স্ট্যাবল করার পরে রোগী ও রোগীর আত্মীয় স্বজনকে পুরো বিষয়টা বুঝিয়ে বলেন ডাক্তারগণ।রক্তনালি জোড়া দেয়ার জন্য বিশেষায়িত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়,না নিতে পারলে হাতটাকে হয়ত কোন ভাবেই বাঁচানো যাবে না।রোগী অনেক গরীব হওয়ার কারণে তারা অন্য কোথাও যেতে অপারগতা প্রকাশ করে।ফলে ডাক্তারগণ রোগীর স্বজনদের সম্মতি নিয়ে রাত ৯টায় অপারেশন শুরু করেন।

 

ভাস্কুলার রিপেয়ার (রক্তনালী জোড়া দেওয়া) করার মত পর্যাপ্ত সুবিধা এবং যন্ত্রপাতি(যেমনঃ বুলডগ ক্লাম্প,ডায়ালেটর, হেপারিন নিডল ইত্যাদি)না থাকা সত্ত্বেও প্রায় ৩ঘন্টা অপারেশন করে সফল হন ডাক্তারগণ। অপারেশনটি কার্যকর করতে নিরলস শ্রম দিয়েছেন ডা.মোঃ আব্দুল্লাহ আল-মারুফ।সহযোগী হিসেবে ছিলেন ডা. আদনান মাহফুজ সৌরভ এবং ডা.মোঃ মাহমুদুল আমিন হামিম।তথ্যসূত্র: ডা মোঃ আব্দুল্লাহ আল-মারুফ ডি- অর্থো রেসিডেন্ট, এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল( সাবেক দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল)।প্ল্যাটফর্ম ফিচার রাইটারঃ উর্বী সারাফ আনিকা ৫ম বর্ষরংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ। ডাঃ আবদুল্লাহ আল মারুফের এ সাফল্যে তার পরিবারের পক্ষ থেকে দেশ বাসী সকলের নিকট দোয়া ও দীর্ঘায়ু কামনা করছেন ডাঃ মারুফের ভাই আবদুল্লাহ আল মামুন।