সম্মাননা পেলেন চিত্রনায়ক সনি রহমান

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১৩, ২০১৮ | আপডেট: ৯:৩২:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১৩, ২০১৮

আলোচিত ‘তোলপাড়’ সিনেমার হিরো সনি রহমান বাস্তব জীবনেও কিছুটা হিরোর সমতুল্য বলা যেতে পারে। সনি রহমান শুধু ক্যামেরার সামনে অভিনয় করে না তিনি কিন্তু ব্যাক্তি জীবনে সব সময় ব্যস্ত থাকেন সামাজিক ও সমাজ সেবা মূলক নানান কাজ কর্মে। যা অনেকবার ফুটে এসেছে বিভিন্ন গণমাধ্যম গুলোতে। এফডিসিতে যে নতুন মসজিদ টা নির্মাণ হচ্ছে এই মহান উদ্দেশ্যর পিছনেও রয়েছে এই নবাগত নায়ক সনি রহমান এর বিশেষ ভূমিকা।
কিন্তু নতুন খবর হচ্ছে ভিন্ন কিছু, গত ১২/১০/২০১৮ ইং তারিখ রংপুর বাংলার চোখ সেচ্ছাসেবী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠন সনির রহমানকে অভিনয়ের পাশাপাশি মহৎ কাজের জন্য “বাংলার চোখ সংগঠন” এর ১ যুগ পূর্তি অনুষ্ঠানে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা প্রদান করেন।

১ যুগ পূর্তি উপলক্ষে বৃক্ষরোপন, রক্তদান কর্মসূচি, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, পুুরস্কার বিতরন, সম্মাননা প্রদান ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করে সংগঠনটি। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটি সম্মাননা স্মরক প্রদান করেন সনি রহমানকে এবং পাশাপাশি তিনি আগামীকাল রক্তদান কর্মসূচিতে নিজে রক্তদান করবে বলে জানিয়েছেন জিএম নিউজ প্রতিনিধিকে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘বাংলার চোখ’ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো:তানবীর হোসেন আশরাফী। চিত্রনায়ক সনি রহমানের হাতে বিশেষ সম্মাননা পুরুস্কার তুলে দেন উক্ত সংগঠনের সভাপতি, প্রধান অতিথি জনাব আলহাজ্ব মশিউর রহমান রাঙ্গা এমপি-(মাননীয় প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়) আরো উপস্তিত ছিলেন এ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া এমপি, ও জনাব -ডা:আক্কাছ আলী এমপি, ছিলেন সিটি মেয়র জনাব-মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা সহ আরও অনেকে।

সনি রহমান এর সাথে কথা হলে তিনি জিএম নিউজকে বলেন, ‘আসলে অনুষ্ঠানটি উপভোগ যোগ্য ছিল। তাদের এই মহান উদ্যেগকে স্বাগত জানাই আমি। আমি চেষ্টা করবো সবসময় তাদের সাথে থাকার জন্য। এবং ধন্যবাদ জানাই এতো সম্মানীয় মানুষ গুলোর সাথে আমাকে জড়িত করার জন্য। আসলে একটি পুরুস্কার শুধু পুরুস্কারই না, একটি পুরুস্কার একজন শিল্পীর দায়ীত্ব অনেক বাড়িয়ে দেয়, আমি চেষ্টাকরবো নিজের দায়ীত্ববোধ থেকেই দর্শকদের জন্য ভালো ভালো কাজ উপহার দিতে, আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন’

বক্তৃতাকালে অনুষ্ঠানে সবাইকে এই চিত্রনায়ক বলেন, ‘শিল্প সাংস্কৃতিকে মনে ধারণ করাতে হয়, এবং অন্তর থেকেই ভালোবাসতে হয়। আমি আশা করবো শিল্পসাংস্কৃতিকে বিশেষভাবে চলচ্চিত্র শিল্পকে রক্ষার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিল্পসাংস্কৃতি ও চলচ্চিত্র শিল্পের দিকে বিশেষ নজর দিবেন, এবং সরকার এর উন্নায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। চলচ্চিত্র ও শিল্প সাংস্কৃতিক আজ বাংলাদেশে কে পৌঁছে দিচ্ছে বিশ্বের দরবারে। সুতরাং এই সাংস্কৃতি কে বাঁচিয়ে রাখতে হবে আমাদেরই।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই রকম সংগঠনগুলি চেষ্টা করে সবসময় সামাজিক কাজ করার। এইসব সংগঠনের পাশে থেকে তাদের সাহায্য করলে হয়তো কিছুটা হলে সামাজিক অবক্ষয় রোধ হবে বলে আমি মনে করছি।’

পরিশেষে প্রধান অথিতির বক্তৃতার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানটি ইতি টানে।