‘কোটা চাইলে আবার আন্দোলন করতে হবে’

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৬:৫০ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৪, ২০১৮ | আপডেট: ৬:৫০:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৪, ২০১৮
‘কোটা চাইলে আবার আন্দোলন করতে হবে’

কোটা বাতিল প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কোটা যদি না থাকে সংস্কারের প্রশ্ন উঠবে না। আর যদি কারো কোটা চায় তাহলে কোটা চাই বলে আন্দোলন করতে হবে।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের অভিজ্ঞতা জানাতে বুধবার গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই নিউইয়র্কে তার সফরের বিষয়ে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। লিখিত বক্তব্যের পর তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোটা যদি না থাকে সংস্কারের প্রশ্ন উঠবে না। আর যদি কারো কোটা চায় তাহলে কোটা চাই বলে আন্দোলন করতে হবে। আর আন্দোলন যদি ভালোভাবে করতে পারে, তখন ভেবে চিন্তে দেখবো কি করা যায়। এরপর যদি কেউ কোন কোটা চায় তাহলে আন্দোলন করতে হবে, বলতে হবে আমি এই কোটা চাই। সেটা আগে বলুক, আন্দোলন করুক। আন্দোলন ছাড়া দেব না।

তিনি বলেন, মেয়েরাও কোটা চায় না, ভালো কথা। মুক্তিযোদ্ধাদের কেউ তো চাকরি পাওয়ার মত নেই, সবাই তো মারা যাচ্ছেন। যারা আন্দোলন করছেন তাদের সাথে আমাদের সেক্রেটারি মিটিং করলেন। সেখানে অনেকেই বললো, আমরা মুক্তিযোদ্ধার নাতি কিন্তু আমরা কোটা চাই না। মেয়েরা বললো আমরা কোটা চাই না, আমরা কমপিটিশন করেই আসবো। মেয়েদের মনে যখন এই কনফিডেন্সটা দেখলাম তখন কোটা থাকার দরকারটা কী? মুক্তিযোদ্ধার নাতিই বলে কোটা চাই না তাহলে দরকার আছে? আর এই কোটা থাকলে খালি আন্দোলন। তো কোটাই নেই, আন্দোলনও নেই, সংস্কারও নেই।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাধীনতার পর এই কোটা দেয়া হলো। যারা মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিত নারীদের জন্য বা যারা অনগ্রসর তাদের জন্য জাতির পিতা এটা করে গিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, আমরাও ছাত্র রাজনীতি করেছি, আন্দোলন করেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ভিসির বাড়িতে ভাঙচুর হলো। মেয়েরা রাত ১টা-দেড়টার সময় সুফিয়া কামাল হলের গেট ভেঙে ছাত্রীরা বের হয়ে চলে এলো, শামসুন্নাহার হল থেকে বের হয়ে এলা। একটা মেয়ের যদি ক্ষতি হতো এই দায়িত্ব কে নিত। সেদিন সারা রাত আমি জাগা ছিলাম।