বরিশালে শিক্ষিকার নির্যাতনের শিকার গৃহ পরিচারিকা

প্রকাশিত: ৭:৫০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৮ | আপডেট: ৭:৫২:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৮

বরিশাল নগরীর ভাটিখানা এলাকায় এক গৃহ পরিচারিকাকে শারীরিক নির্যাতনেরর অভিযোগ উঠেছে গৃহকম্রী স্কুল সভানেত্রী উপর। নির্যাতনের পরে হাত পা বেধে রুমের ভেতর তালাবন্ধ করে রাখতো এমনটাই জানালেন বৃদ্ধা পূর্র্ণিমা কর্মকার (৫০) ।

শুধু শারীরিক নির্যাতনই নয় কাজের মহিলা যাতে পালিয়ে যেতে না পারে তার জন্য গত ২দিন রুমের ভেতর তালাবন্ধ করে রেখেছিল। অবশেষে গৌতম কর্মকারের স্ত্রী প্রতিমা কর্মকার এলাকা বাসির সহায়তায় ওই বধবা পুর্নিমাকে গত বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে উদ্ধার করছে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে ।

গৃহপরিচারিকা পূর্নিমা কর্মকার নগরীর ভাটিখানা এলাকায় ভাড়া থাকে। ওই গৃহপরিচারিকা পূর্নিমা কর্মকার অভিযোগ করে বলেন, মমতাজ বেগম মঞ্জু নগরীর ভাটিখানা বাজার রোড় বাকলার মোড় এলাকার মৃত সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ কাওসার হোসেনের স্ত্রী এবং মমতাজ মজিদুন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষিকা এবং পরিচালনা পরিষদের সভানেত্রী।

পূর্নিমা কর্মকার প্রায় দশ বছর ধরে ওই বাসায় কাজ করে আসছে। দিনের পর দিন শারীরিক মানুষিক নির্যাতন সহ্য করে মূখ বুঝে হতভাগা পূর্নিমা কাজ করে তার বাসায়। কিছুদিন থেকে মমতাজ বেগম প্রায়ই কারনে অকারণে পূর্ণিমার উপর নির্যাতন করে আসছিল। এমনকি প্রতিমাসে ৪ হাজার টাকা দেয়র কথা থাকলেও ৩ হাজারের বেশি বেতর দিতেনা। আরো অভিযোগ করেন ৩ ববছরের পাওনা বেতন এখনো পায়নি।

নির্যাতনের ঘটনা সুত্র গত ১৫ সেপ্টেম্বর মমতাজ ঢাকা যাওয়ার জন্য পস্তুতি নেন এসময় পূর্নিমাকে একটি রিকশা ডেকে আনার জন্য বলেন। পূর্ণিমা কর্মকার রিকশা ঠিক করতে দেরি হওয়ায় ঐ দিনই রাস্তায় বসে লাথি , ঘুসি মারে মমতাজ বেগম। এ বিষয়টি পূর্ণিমা মমতাজের মেয়েকে মোবাই করে জানায়।

এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে মমতাজ ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে এসে পূর্নিমাকে রুমের ভিতর আটকে পুনরায় মারধর করেন। ভাগ্নি প্রতিমা এলাকা বাসির সহযোগীতায় তাকে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করে। এঘটনায় কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) আনোয়ার হোসাইন জানান, একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে। এ বিষয়ে একাধিক বার মমতাজ বেগমের সাথে মুঠো ফোন ০১৭৪৬৭৮**৪৪, ০১৯২৮১৩৬**৬৬ নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধো পাওয়া গেছে।