অযোগ্য দিয়ে ছাত্রদলের কমিটি, একে বারে উড়ে এসে কোলে জুড়ে বসেছে

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৮:৫৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৮ | আপডেট: ১০:১৫:পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৮

অবশেষে দীর্ঘ সাত বছর প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে বরিশাল জেলা ও মহানগর শাখার কমিটি ঘোষনা করা হয়, যা নিয়ে রয়েছে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ, ঘোষনার পর থেকেই আন্দোলন, সংগ্রাম, চলছে অনবরত, প্রচন্ড বিরোধ মাঠ পর্যায়।

যারা দির্ঘ সাত বছর পর কমিটিতে স্থান পেয়েছে তাদেরকে কেহই চিনেন না এবং জানেন না, সাংগঠনিক কোন কার্যক্রমের সাথে তারা জড়িত  ছিল না, একে বারে উড়ে এসে কোলে জুড়ে বসেছে৤

 

এনিয়ে বিতর্কের মধ্যে পরতে হয়েছে স্থানীয় বিএনপি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদল কে , যার কোন অভিযোগের শেষ নেই, ত্যাগী নেতাকর্মী যারা তারাই এ কমিটিতে স্থানই পাইনী।

 

আন্দোলন সংগ্রামে বিগত দিনে দলীয় কাজ করতে যারা সক্রিয়ভাবে ভুমিকা রেখেছে, মিছিল, মিটিং, আন্দোলন, হামলা, মামলার শিকার হয়েছেন, একের পর এক দলের পিছনে সক্রিয়ভাবে ভুমিকা রেখেছে তারাই উপযুক্ত পদ থেকে বঞ্চিত  হয়েছে।

 

অনেক আসার প্রতিক্ষার পর যারা কমিটিতে স্থান পেয়েছে তারহলেন ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবী এ নিয়ে রয়েছে মাঠ পর্যায় ক্রোন্দল, ত্যাগী কর্মিরা অত্যান্ত ক্ষুব্দ।

কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের প্রতি তারই বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিগত কয়েকদিন যাবত কমিটির ঘোষনার পর থেকে চলছে জেলা ও মহানগরে আন্দোলন এবং বিক্ষোভ।

 

যাকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি করা হয়েছে কিছুদিন পূর্বে বিক্ষুব্ধ ছাত্রদল কর্মীদের হাতে লাঞ্ছিত অপমানিত হয়েছে, যা সভাপতি এ বিষয়টি অস্বীকার করেছেন৤ প্রতক্ষ্যদর্শিরা বলেন এমন ঘটনা নিজ চোখে দেখেছেন। বিক্ষুব্ধ ছাত্রদলের কর্মীদের হাত থেকে বাঁচার জন্য স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বাসায় অবস্থান নেন।

প্রশ্ন উঠেছে সারা শহর জুরে বিএনপি’র সাধারণ সমর্থকদের মধ্যে, অপর কিমিটি মহানগর ছাত্রদল যা পুরোটাই নিয়ন্ত্রন করেন মহানগর বিএনপি’র সভাপতি, এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান সরোয়ার, তার মতএকজন যোগ্য নেতা থাকতে অযোগ্য ও অদক্ষ্য কর্মীরা কমিটিতে স্থান পেল কিভাবে?

 

এমনকি গতকাল মহানগর ছাত্রদল আওতাধীন ৩০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের আহবাবায়ক কমিটি দেওয়া হয়েছে, কিন্তু কমিটি ঘোষণা করার জন্য যে প্যাড ব্যবহার করা হয় সে প্যাডটি ওয়ার্ড ছাত্রদলের প্যাড, যা দিয়ে ওয়ার্ড এর কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এমন কাজটি তারা কিভাবে করলেন? এ প্রশ্নটাই সচেতন ছাত্রদলের সকল কর্মীদের মুখে মুখে।

 

ত্যাগী নেতারা যারা পদ পাননি তারা বলেন আমাদের অনেক কিছু দেখার বাকি আছে, আর যোগ্যতার মাপকাঠিতে ছাত্রদলের কমিটিকে মুল্যায়ন করিতেছি আর আমরা আমাদের অনুশোচনা নিয়ে পথ চলবো এবং যাদেরকে আপনারা নেতা বানালেন তাদের কর্মদক্ষতা আমরা দেখব।