ক্রিকেটারদের জন্য আসছে গাইড লাইন!

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১০:৫১ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩০, ২০১৮ | আপডেট: ১০:৫১:অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩০, ২০১৮
ক্রিকেটারদের জন্য আসছে গাইড লাইন!

ক্রিকেটারদের অসদাচরণ ও সাম্প্রতিক কিছু বিষয়ে কথা বলতেই শনিবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কার্যালয়ে ডাকা হয়েছে হালের সমালোচিত মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, সাব্বির রহমান ও নাসির হোসেনকে।

বুধবার (২৯ আগস্ট) পবিত্র হজ শেষে দেশে ফিরেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। এসেই বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) বিসিবি কর্মকর্তা ও ওয়ানডে অধিনায়ককে নিয়ে বৈঠকে বসেছেন সাম্প্রতিক ইস্যুগুলো নিয়ে। বৈঠক শেষে কথা বলেছেন সাংবাদিকদের সঙ্গে।

সেখানেই নাসির-সাব্বির-মোসাদ্দেক প্রসঙ্গ উঠে আসে। ক্রিকেটারদের এমন আচরণে বিসিবি বিব্রত কিনা এমন এক প্রশ্নে সভাপতি বলেন, ‘সবার ব্যক্তিগত অনেক সমস্যা আছে। সেটা থাকতে পারে। সব কিছুর মধ্যে বিসিবিকে জড়ালে হবে না। সব বিসিবির পক্ষে করাও সম্ভব না। ডিভোর্স হয় না বাংলাদেশে? কেউ যদি কাউরে ডিভোর্স করতে চায় এটা নিয়ে আমরা কি করব? কেউ যদি একাধিক বিয়ে করে সেটাও আমাদের কিছু করার নেই। এখন তো আমরা বলতে পারি না ক্রিকেট যারা খেলে তারা একাধিক বিয়ে করতে পারবে না।’

কোনো ক্রিকেটার বারবার একই ভুল করলে সে কঠিন শাস্তি পাবে এমনটা জানিয়ে নাজমুল হাসান বলেন, ‘আমরা মনে করি ক্রিকেট প্লেয়াররা অবশ্যই আদর্শ। তাদের অনেকে অনুসরণ করে। অবশ্যই তাদের ভাল মানুষ হতে হবে। এটার জন্য যা যা করা দরকার করতে হবে। কিছু মানুষ আছে যাদের আমরা শাস্তি দিচ্ছি। যদি দেখি তা দিয়েও কোন ইম্পেক্ট হচ্ছে না তখন তো আমাদের কড়া শাস্তি দিতেই হবে। যদি আমরা মনে করি একটা জিনিস করা উচিৎ না কোন খেলোয়াড়ের, সে যদি বারবার তা করতে থাকে। তখন কড়া সিদ্ধান্ত নিতেই হয়, নিব।’

ক্রিকেটারদের মানসিকভাবে আরও শক্তিশালী করে তোলা ও খেলায় মনযোগ বাড়াতে মনোবিজ্ঞানির শরণাপন্ন হতে চলেছে বিসিবি এমনটা জানিয়ে সভাপতি বলেন, ‘আমরা সাইকোলজিস্ট নিয়ে আসার কথা ভাবছি। যে প্লেয়ারদের এই ব্যাপারে একটু ট্রেনিং দেওয়া যায় কিনা। আমরা তো খালি খেলায় জেতার জন্য ট্রেনিং দেই। এখন ওই অ্যাসপেক্টেও কিছু করা যায় কিনা আমি কথা বলেছি অলরেডি। তারা যোগাযোগ শুরু করে দেবে এবং প্লেয়ারদের সঙ্গেও কথা বলবে। কে কী করতে পারবে, কী করতে পারবে না, এসব নিয়ে।’

‘যেমন আজকেও একটা প্রস্তাব এসেছে, যখন তারা ট্যুরে যায় তখন সোশ্যাল মিডিয়াতে যোগাযোগ বন্ধ। ট্যুরের সময় যখন আছে তখন বন্ধ। এটা করব কিনা এটা কিন্তু আমরা সিদ্ধান্ত নেইনি। কিন্তু এটা নিয়ে গাইডলাইন তৈরি করছি। এই গতাইডলাইনে ক্রিকেটারদের স্বাক্ষর থাকবে। তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কোন সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হবে। সব কিছুর পরে কিন্তু ওদের নিজেদেরই ভাল হতে হবে। জোর করে কাউকে ভাল করানো যায় না। ওরা নিজেরা ভাল না হলে আমাদের কিছু করার নাই, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতেই হবে।’