নিজের জীবন উৎসর্গ করে প্রমান করে গেছে দেশকে কতটুকু ভালবাসে তার নাম শেখ মুজিবুর রহমান—–মেয়র লিটন

প্রকাশিত: ১১:৫৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৫, ২০১৮ | আপডেট: ১১:৫৪:অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৫, ২০১৮

যে সুর্য সন্তান একটি পরাধীন রাষ্ট্র থেকে মুক্ত করে লাল সবুজের পতাকা দিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করে প্রমান করে গেছে দেশকে কতটুকু ভালবাসে তার নাম শেখ মুজিবুর রহমান—–মেয়র লিটন

যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেছেন,হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যখন পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী হত্যা করতে পারল না তখন তাদের এদেশীয় দোসররা জাতির জনককে স্ব-পরিবারে হত্যা করে বিশ্বের কাছে বেঈমানির জাতি হিসাবে দাঁড় করিয়েছে। রাষ্ট্রের জন্য মানুষের জন্য যে কত ত্যাগ করেছে তার অনন্য উদাহরন হচ্ছে শেখ মুজিব। বাঙ্গালী জাতির হাজার বছরের ইতিহাসে যে সুর্য সন্তান সেরা সন্তান এদেশের মানুষকে মুক্ত করে দিয়ে গেছে, একটি পরাধীন রাষ্ট্র থেকে মুক্ত করে লালসবুজের পতাকা দিয়ে গেছে তার নাম হচ্ছে শেখ মুজিব। যারা স্বাধীনতাকে ভালবাসতে পারেনি যারা স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেনি তারাই ষড়যন্ত্র করে জাতির জনককে স্ব-পরিবারে হত্যা করে কলংক লেপন করেছে। কথা গুলো বললেন ১৫ আগষ্ট জাতিয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর ৪৩ তম শাহাদত বার্ষিকীর শার্শা ৯ টি ইউনিয়ন আয়োজিত শোক দিবসের অনুষ্ঠানে মেয়র লিটন।

 

 

শার্শার ৯ টি ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর ৪৩ তম শাহাদত বার্ষিকীর প্রতিটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে মেয়র লিটন বলেন, পাকিস্থানী হানাদারদের এদেশীয় দোসররা ও বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের প্রেতান্তরারা বঙ্গবন্ধুকে তার স্ব-পরিবারে হত্যা করে ভেবেছিল বাঙ্গালী জাতির কাছে থেকে চিরতরে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে যাবে। কিন্তু তাদের সে ধারনা ভুল । বাঙ্গালী জাতির বুকে আজ একটি নাম সে হচ্ছে জাতির শ্রেষ্ট সন্তান হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার পর যখন তিনি পাকিস্থান কারাগার থেকে ছাড়া পেয়ে বাংলাদেশে ফিরছিলেন তখন বৃটিশ সরকার হিথ্রো বিমান বন্দরে বলেছিল দেশে যেয়ে কি হবে বাংলাদেশে আছে শুধু ধ্বংস স্তুপ আর মাটি। তখন বঙ্গবন্ধু বলেছিল আমার দেশের মাটি আর আমার সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালী থাকলে হবে। আমি আমার দেশকে গঠন করতে পারব। দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু চিন্তা করল এদেশকে গঠন করতে হলে আগে কৃষিকে উন্নত করতে হবে। তখন তিনি প্রথমে ২২ হাজার কৃষককে সার ঔষুধ বিনা খরছে এবং তাদের জমির খাজনা মাপ করে দিল। দেশকে যখন তিনি পুনর্ঘটনের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছিল তখন তাকে ষড়যন্ত্র করে হত্যা করা হয়।

 

প্রধান অতিথি বলেন আজ যদি পাকিস্থানী রাষ্ট্র্র থাকত তাহলে আমরা আগেও যে ভাবে ভাল চাকরি না করে তাদের গোলামী খেটেছি এখন ও সেভাবে গোলামি খাটতে হত। আজ বঙ্গবন্ধু দেশকে স্বাধীন করে দেওয়ায় আমাদের ছেলে মেয়েরা ভাল চাকরি পাচ্ছে। কেউ মেজর কেউ ক্যাপ্টেন কেউ বিচারক , কেউ সচিব সহ বিভিন্ন উচ্চ পদমর্যদায় চাকরি করছে। আমাদের মায়েরা বাবারা আজ গর্বিত। তাই বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের রক্তের ঋন শোধ কতে হলে আমাদের মানুষ হতে হবে। ভালো কাজ করতে হবে। জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৩ বার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়ে ও দেশের মানুষকে ছেড়ে পালিয়ে যান নাই। তাই শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হলে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শক্তিশালী করতে হবে।

 

এসময় বাহাদুরপুর ইউনিয়নে সভাপতিত্ব করেন বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামলীলীগের সহ-সভাপতি আঃ ওহাব লাক্ষন পুর ইউনিয়ন আওয়ামলীগের সভাপতি সৈয়দ সালাউদ্দিন সভাপতিত্ব করেন,ডিহি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ সভাপতিত্ব করেন, শার্শা উপজেলার সিনিয়র সদস্য তবিবর রহমান বুলবুল নিজামুপুর ইউনিয়নে সভাপতিত্ব করেন, বাগআচড়া ইউনিয়নে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামলীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক,কায়বা ইউনিয়নে সভাপতিত্ব করেন শার্শা উপজেলা ত্রান ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক আলতাব হোসেন ও পুটখালী ইউনিয়নে সভাপতিত্ব করেন পুটখালী ইউনিয়ন আওযামলীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়রাম্যান আব্দুল গফফার সরদার।

 

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা আওয়ামলীগের শিক্ষা বিষায়ক সম্পাদক আসিফ উদ দৌলা সরদার অলোক, শার্শা উপজেলা যুগ্ম সাধারন সম্পাদক একে এম ফজলুল হক বকুল,সাংগঠনিক গোলাম মোস্তফা, ও আবুল মালেক প্রচার সম্পাদক ইলিয়াছ আযম, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শেখ কোরবান আলী, বেনাপোল পৌর আওয়ামলীলীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আহসান উল্লাহ মাষ্টার, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক সাইদুজ্জামান বিটন, যুগ্ম আহবায়ক সেলিম রেজা বিপুল, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি রুহুল কুদ্দুস, সহসভাপতি বৈদ্যনাথ দাস,বেনাপোল পৌর প্যানেল মেয়র সাহাবুদ্দিন মন্টু, কমিশনার রাশেদ আলী,পৌর যুবলীগের আহবায়ক সুকুমার দেবনাথ,পৌর আওয়ামীলীগের সিনিয়র সদস্য,মোজাফফার হোসেন, শার্শা উপজেলা আওয়ামলী সাংস্কৃতিক ফোরামের আহবায়ক এমদাদুল হক বকুল, শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আকুল হোসাইন, বেনাপোল পৌর আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরামের সিনিয়র সহ- সভাপতি হুমায়ুন কবির।লক্ষনপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আনোয়ারা খাতুন ও আওয়ামলীলীগ নেতা আছাদুজ্জামান, নুরুজ্জামান, আছাদুজ্জামান আশা সহ আওয়ামী, যুবলীগ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।