আওয়ামী লীগের পতন দেশের মানুষ স্মরণ রাখবে: পার্থ

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৮:৩১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৭, ২০১৭ | আপডেট: ৮:৩১:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৭, ২০১৭
আওয়ামী লীগের পতন দেশের মানুষ স্মরণ রাখবে: পার্থ

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলেন, যে তার বিরুদ্ধে যত অপপ্রচার চলছে তা প্রমাণিত করতে পারলে তিনি আর রাজনীতি করবে না। কিন্তু সেই চ্যালেঞ্জ কেউ নেয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৩ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ছাত্র ফোরাম ও উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরাম। ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সহ প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, সহ প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম, সেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি গোলাম সরোয়ার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কায়েস প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম খান বলেন, দূরে বসেও তারেক রহমান তার রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করছেন। শেখ হাসিনা অনেক আগে থেকে প্রতিনিয়ত তারেকের বিরুদ্ধে সমালোচনা করছেন। বিএনপির এতো নেতা থাকতে কেনো তার বিরুদ্ধে এতো সমালোচনা এখন তা বুঝতে পারছি। প্রতি নিয়ত তারেকের বিরুদ্ধে মিথ্যে সমালোচনা করা হচ্ছে এমন কথা উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, কেউ প্রমাণিত করতে পারেনি তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চলমান অপপ্রচার। আলোচনা সভায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যে অপরাধ সাজানো হয়েছে, তা কেউ প্রমাণ করতে পারে নাই।

তারেক রহমানকে কারাগারে রেখে মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। এরপরেও কেন তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের এতো ক্ষোভ এমন কথা জানতে চেয়ে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশের কারণে তারেকের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত আক্রমনের শিকার তারেক রহমান। তিনি বলেন, আইনের পথে হেটে এক বিচারক তারেক রহমানের পক্ষে রায় দিয়েছিলো। কিন্তু সেই বিচারপতিকে পালাতে হয় দেশ ছেড়ে। দেশে কোনো বিচারপতি সত্য কথা বললে তাকে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্যকরা হয় এস কে সিনহার মতো এমন কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, বিচার বিভাগ, প্রশাসন, পার্লামেন্ট শেখ হাসিনার দখলে। কেউ যদি শেখ হাসিনার কথার বিপরীতে যায়, সে আর টিকতে পারবে না স্ব স্থানে।

ড. মোর্শেদ হাসান খান বলেন, তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে বিরত রাখার জন্যই ওয়ান ইলেভেনে মাইনাস টু ফর্মুলার বদলে মাইনাস ওয়ান ফর্মুলা চালু হয়। এজন্যই তার ওপর অমানবিক নিপীড়ন করা হয়। কিন্তু আল্লাহর রহমতে তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন। ইনশাল্লাহ ২০১৮ সালে তার উপস্থিতিতে তার জন্মদিন পালন করবো। তাকে দেশে ফেরাতে ছাত্রদল সহ সবাইকে আন্দোলনের প্রস্তুতি নেয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।সভাপতির বক্তব্যে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের প্রতি অত্যাচার বন্ধ করে পেয়াজের দামের দিকে নজর দেন। তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর অর্থ নিয়ে যা শুরু করেছেন। সেই রকম পেয়াজ নিয়ে শুরু করেছেন। এখন সবাই পেয়াজকে পদ্মা ফল বলা শুরু করেছে।সরকারের সমালোচনা করে পার্থ বলেন, আওয়ামী লীগের পতন দেশের মানুষ স্মরণ রাখবে।