১৩ বছর কারা‌ভোগ শে‌ষে দেশে ফির‌লো মানসিক প্রতিবন্ধী শাহাজান

প্রকাশিত: ৫:৩৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৯, ২০১৮ | আপডেট: ৫:৩৬:অপরাহ্ণ, জুলাই ১৯, ২০১৮

অবৈধপ‌থে ভার‌তে পা‌ড়ি দেওয়ার ১৩ বছর পর বাড়ি থেকে হারিয়ে যাওয়া শাহাজান (৩০) নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী যুবককে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশ শাহাজানকে তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়।

এর আগে গত ১৩ জুলাই সকালে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আইনে ভারত থেকে তাকে বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। কিন্তু তার ঠিকানা সঠিক না থাকায় এতোদিন বাড়িতে পৌঁছানোর সুযোগ হয়নি।

শাহাজান রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ফকিরপাড়া গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে।

বেনাপোল পোর্টথানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মফিজ উদ্দিন জানান, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শাজাহান। তিনি নিজের অজান্তে ১৩ বছর আগে ভারত সীমান্তে ঢুকে পড়েন। এ সময় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ তাকে আটক করে জঙ্গি ভেবে জেলে পাঠায়। এর ১৩ বছর আগে তিনি বাড়ি থেকে হারিয়ে যায়। বাড়ির সবাই জানতো এতোদিনে তিনি মারা গেছেন। গত পাঁচদিন আগে ভারত থেকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে তাকে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়। তিনি অগোছালোভাবে দু’একটা কথা বলতে পারেন। কিন্তু তা যথেষ্ট ছিলো না। এছাড়া কাগজপত্রেও তার ঠিকানা সঠিক ছিলো না। অবশেষে তার চুল, দাঁড়ি কাটিয়ে বিভিন্ন থানাতে ছবি পাঠানো হয়। পরে অনেক চেষ্টায় তার পরিচয় শনাক্ত করে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। প্রতিবন্ধী যুবককে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশ শাহাজানকে তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়।

এর আগে গত ১৩ জুলাই সকালে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আইনে ভারত থেকে তাকে বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। কিন্তু তার ঠিকানা সঠিক না থাকায় এতোদিন বাড়িতে পৌঁছানোর সুযোগ হয়নি।

শাহাজান রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ফকিরপাড়া গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে।

বেনাপোল পোর্টথানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মফিজ উদ্দিন জানান, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শাজাহান। তিনি নিজের অজান্তে ১৩ বছর আগে ভারত সীমান্তে ঢুকে পড়েন। এ সময় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ তাকে আটক করে জঙ্গি ভেবে জেলে পাঠায়। এর ১৩ বছর আগে তিনি বাড়ি থেকে হারিয়ে যায়। বাড়ির সবাই জানতো এতোদিনে তিনি মারা গেছেন। গত পাঁচদিন আগে ভারত থেকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে তাকে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়। তিনি অগোছালোভাবে দু’একটা কথা বলতে পারেন। কিন্তু তা যথেষ্ট ছিলো না। এছাড়া কাগজপত্রেও তার ঠিকানা সঠিক ছিলো না। অবশেষে তার চুল, দাঁড়ি কাটিয়ে বিভিন্ন থানাতে ছবি পাঠানো হয়। পরে অনেক চেষ্টায় তার পরিচয় শনাক্ত করে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।