নওগাঁ জেলায় উপজেলার সাপাহার ইউনিয়ন পরিষদ শ্রেষ্ঠ

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৬:১৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৫, ২০১৮ | আপডেট: ৮:১৭:অপরাহ্ণ, জুলাই ১৫, ২০১৮
নওগাঁ জেলায় উপজেলার সাপাহার ইউনিয়ন পরিষদ শ্রেষ্ঠ

নওগাঁ প্রতিনিধি :

নওগাঁয় গ্রাম আদালত পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িত বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করন (২য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় নওগাঁ জেলায় ৬টি উপজেলার ৪৯টি ইউনিয়নে এ ব্যপারে প্রচার ও সচেতনতামুলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

 

এসব ইউনিয়নের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পর্যালোচনা করে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। গত জানুয়ারী’১৮ থেকে জুন’১৮ পর্যন্ত ৬ মাসের কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় সভাপতিত্ব করেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ মুজিবুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান। এসময় সংশ্লিষ্ট উপজেলা চেয়ারম্যানবৃন্দ, উপজেলা নির্বাহী অফিসারবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানবৃন্দ এবং সরকারী কর্মকর্তাকর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

যেসব উপজেলায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে সেগুলো হচ্ছে, পোরশা উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন, সাপাহার উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন, বদলগাছি উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন, মহাদেবপুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন, পতœীতলা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন এবং নিয়ামতপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন।

 

পারফরম্যান্স অনুযায়ী উপজেলাভিত্তিক শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদগুলো হচ্ছে পোরশা উপজেলার ছাওড় ইউনিয়ন পরিষদ, সাপাহার উপজেলার সাপাহার ইউনিয়ন পরিষদ, বদলগাছি উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়ন পরিষদ, মহাদেবপুর উপজেলার রাইগাঁ ইউনিয়ন পরিষদ, নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়ন পরিষদ এবং পতœীতলা উপজেলার ঘোষনগর ইউনিয়ন পরিষদ। নওগাঁ পুরো জেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন হয়েছে সাপাহার উপজেলার সাপাহার ইউনিয়ন পরিষদ।

 

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ মুজিবুর রহমান বলেছেন, জেলার ৬টি উপজেলার ৪৯টি ইউনিয়নে এ সময়ে ৩ লাখ ২৬ হাজার ৬৫০ জন মানুষকে গ্রাম আদালত সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। এই সময়ে প্রকল্পের অধীনে মোট মামলা লিপিবদ্ধ হয়েছে ৩ হাজার ৫৪৮টি। মোট নিষ্পত্তিকৃত মামলার সংখ্যা ২ হাজার ৬০৩টি। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে ২ হাজার ৪১২টি। এর মধ্যে ১০২ জন নারী আবেদন করেছেন। প্যানেল সদস্য হিসেবে নারীর অংশগ্রহন ৩৯ জনের। এই সময়ে মোট ১ কোটি ৭২ লাখ ৭৯৯ টাকা ক্ষতিপুরন আদায় করা হয়েছে।#