লামায় ট্রাফিক ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে লামা পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরীমের অভিযানে

মো: ফরিদ উদ্দিন মো: ফরিদ উদ্দিন

বান্দরবন জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৯:৫৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ৮, ২০১৮ | আপডেট: ৯:৫৭:অপরাহ্ণ, জুলাই ৮, ২০১৮
লামায় ট্রাফিক ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে লামা পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরীমের অভিযানে

মোটরযান আইন মেনে চলার পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে লামা উপজেলার শহরের বিভিন্ন স্থানে লামা থানা ও ট্রাফিক পুলিশকে সাথে নিয়ে সাড়াশি অভিযানে লামা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরী।

রবিবার লামা বাজারের কয়েকটি সড়ক ও সার্কেল অফিসের সামনে মেইন রোড়সহ কয়েকটি স্থানে এই অভিযান চলে। পাশাপাশি একই সাথে পার্শ্ববর্তী আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় এই অভিযান চালানো হয়েছে।

সার্কেল অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জুন ২০১৮ইং বৃহস্পতিবার মাহিন্দ্র, সিএনজি, টমটম ও অটো রিক্সার মালিক ও চালক সমিতির নেতাদের সাথে জারুরী বৈঠকে বসেন লামা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার। বৈঠকে সবাইকে মোটরযান আইন মেনে যানবাহন চালাতে অনুরোধ করেন। এসময় মাহিন্দ্র,সিএনজি, টমটম ও অটো রিক্সার ডান পাশে সুরক্ষা রড লাগাতে ১০ দিনের সময় বেধে দেয়া হয়। ডান পাশে কোন যাত্রী উঠা-নামা না করাতে ও ড্রাইভারে ডান পাশে যাত্রী না বসাতে বলেন। অন্যথায় নির্দিষ্ট সময় শেষে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

নির্দিষ্ট ১০ দিন শেষে রোববার মাঠে নামে পুলিশ। এসময় আইন অমান্যকারী ১৫/২০টি মাহিন্দ্র, সিএনজি, টমটম ও অটো রিক্সার আটক করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে মোটরযান আইনে মামলা করা হয়। পাশাপাশি অতিরিক্ত মানুষ পরিবহন, হেলমেট না পারা ও কাগজপত্র সমস্যা থাকা মোটর সাইকেলের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশ।

লামা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরীর নেতৃত্বে অভিযানে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, লামা সার্কেলের পুলিশ পরিদর্শক কাজী রাকীব উদ্দিন, লামা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক জাহেদুল ইসলাম, এসআই জয়নাল আবেদীন, এএসআই শরিফ, আহসান হাবিব, নুরউদ্দিন, এবাদুল সহ প্রমূখ।

সহকারী পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরী বলেন, লোকাল পরিবহনের কাজে নিয়োজিত মাহিন্দ্র, সিএনজি, টমটম ও অটো রিক্সার গুলো নিয়ম না মানার কারণে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা ঘটছে। এইসব যানবাহন গুলোর দুইপাশে যাত্রী উঠা-নামার কারণে রাস্তায় দূর্ঘনটা হচ্ছে সবসময়। গাড়ি গুলো ডান পাশে সুরক্ষা রড লাগাতে ২৮ জুন হতে ১০ দিন সময় বেধে দেয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যে ৯০ শতাংশ গাড়িতে রড লাগানো হয়েছে। বিষয়টি সন্তোষজনক। যারা লাগাইনি তাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।