নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি খাতে ন্যায্য বরাদ্দের আহ্বান

সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: ৫:০৫ অপরাহ্ণ, জুন ২৪, ২০১৮ | আপডেট: ৫:০৫:অপরাহ্ণ, জুন ২৪, ২০১৮
নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি খাতে ন্যায্য বরাদ্দের আহ্বান

২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন তথা স্বাস্থ্যবিধি খাতে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ ও ন্যায্য বরাদ্দের আহ্বান জানিয়েছে ওয়াটার এইড বাংলাদেশসহ বিভিন্ন ওয়াশ নেটওয়ার্কিং সংস্থা।

তাদের মন্তব্য, ‘২০১৭-১৮ অর্থবছরের তুলনায় স্থানীয় সরকার বিভাগের স্বাস্থ্যবিধি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়েছে মাত্র ৫৪ হাজার ৭০০ টাকা। গত এক বছরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ও সম্প্রসারিত নগরায়নের ফলে সৃষ্ট চাহিদার তুলনায় এই খাতে বরাদ্দকৃত বাজেট অপর্যাপ্ত।’

রবিবার (২৪ জুন) দুপুরে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সংবাদ সম্মেলন করে ওয়াটার এইড, ইউনিসেফ, পিপিআরসি, ফানসা বিডি, ডব্লিউএসএসসিবি, এফএসএম নেটওয়ার্ক, স্যানিটেশন অ্যান্ড ওয়াটার ফর অল ও ওয়াশ অ্যালায়েন্স। সেখানে বক্তারা বলেন, ‘ওয়াটার এইড ও ইউনিসেফের যৌথ সহযোগিতায় পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) এক বিশ্লেষণে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু ক্রমবর্ধমান জিপিডি (মোট দেশজ উৎপাদন) ও গত ৭ বছরের জাতীয় বাজেটের তুলনায় এই খাতে অপর্যাপ্ত বরাদ্দ চোখে পড়ার মতো।’

বক্তাদের ভাষ্য, ‘ভৌগলিক অবস্থান বিচারে দেশের বিভিন্ন স্থানের স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী, বাজেটে বরাদ্দের ক্ষেত্রে অসমতা উঠে এসেছে বিশ্লেষণে। গ্রামাঞ্চল ও চরাঞ্চলে বাজেট বরাদ্দের প্রয়োজনীয়তা থাকার পরও মহানগর ও শহরগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি বরাদ্দ পাচ্ছে। যদিও বাজেটের সামগ্রিক চিত্র অনুযায়ী, আপাতদৃষ্টিতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যবিধি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১০ শতাংশ। তারপরও গ্রাম ও শহরাঞ্চলে অসমতার হার বিস্তার লাভ করছে যেখানে শহরাঞ্চল ও গ্রামঞ্চলে বরাদ্দ যথাক্রমে ৯০.৯ ও ৯.১ শতাংশ।’

অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সেক্টর উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্বাস্থ্যবিধি খাতের লক্ষ্যগুলো অর্জনে জাতীয় বাজেটে গ্রামাঞ্চল, দুর্গম ও অবহেলিত অঞ্চল এবং ছোট ও মাঝারি শহরগুলোর জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।’

রবিবারের সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন ওয়াটার এইড বাংলাদেশ অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজার ফয়সাল আব্বাস, ফ্রেশওয়াশ অ্যাকশন নেটওয়ার্ক সাউথ এশিয়ার পক্ষে ইয়াকুব হোসেন, ওয়াটার এইডের প্রতিনিধি সৈয়দ আদনান, ওয়াশ অ্যালায়েন্স’র প্রতিনিধি অলক মজুমদার প্রমুখ।