`উপেক্ষিত জনগোষ্ঠীর নাম আদিবাসী’- এমপি বাদশা

প্রেক্ষিত জাতীয় বাজেট

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৮:৩৫ অপরাহ্ণ, জুন ২১, ২০১৮ | আপডেট: ৮:৩৫:অপরাহ্ণ, জুন ২১, ২০১৮
`উপেক্ষিত জনগোষ্ঠীর নাম আদিবাসী’- এমপি বাদশা

ফজলে হোসেন বাদশা, আহবায়ক, আদিবাসী বিষয়ক সংসদীয় ককাস:  সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ: বাজেট বক্তৃতা ২০১৮-১৯ দারিদ্রমুক্ত ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত হলেও দরিদ্র আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের মধ্যে দিয়ে এবারও অর্থমন্ত্রী বাজেট ঘোষণা করেছেন। সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় আদিবাসী জনগোষ্ঠী কোনাভাবেই সামিল হতে পারছে না। তিনি বলেছেন ‘সামাজিক সুরক্ষা প্রসঙ্গে দারিদ্র্য ও অসমতা হ্রাসের ক্ষেত্রে নিয়মিত অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের বাইরে সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম হলো আমাদের অন্যতম হাতিয়ার।

৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার আলোকে হতদরিদ্র, অতিদরিদ্র, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও সমাজের সর্বাধিক ঝুঁকিগ্রস্ত অংশের দিকে লক্ষ্য রেখে প্রতিবছর মূল কর্মসূচিগুলোর আওতা ও পরিধি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। বরাদ্দ প্রদানের ক্ষেত্রে আমরা দুর্যোগ প্রবণ এলাকা, অতিদরিদ্র এলাকা এবং জনসংখ্যার অনুপাত বিবেচনা করছি।’ সেই প্রসঙ্গে আমি বলতে চাই এই প্রতিটি ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান পাবেন আদিবাসী জনগোষ্ঠী। সেই অনুপাত বিচারেই এই জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বরাদ্দ দেয়া প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে আদিবাসী বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টী যে নামেই ডাকিনা কেনতাদের উপেক্ষা করা হয়েছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কথা উল্লেখ নেই এ বাজেটে তার মানে তাদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে।

আগামী অর্থবছরের জন্য সামাজিক সুরক্ষা খাতের আওতা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন সেখানে হিজরা, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে। চা-শ্রমিকদের জীবন মান উন্নয়ন কর্মসূচির উপকারভোগীর সংখ্যা ৩০-৪০ হাজারে বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছেন। এইখানেও আদিবাসীদের উপেক্ষিত করেছেন তিনি। তিনি উল্লেখ করেছেন অন্যান্য বছরের মতো এবারো কয়েকটি বিশেষ উদ্দেশ্য কিছু থোক বরাদ্দ হয়েছে সেখানেও বাংলাদেশের সবচেয়ে দরিদ্র ও অনগ্রসর অংশের মধ্যে অন্যতম আদিবাসী জনগণের স্থান হয়নি। সমতল ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উভয় অঞ্চলের আদিবাসীদের সিংহভাগ এখনও জীবিকা নির্বাহের জন্য ভূমি ও বনের ওপর নির্ভরশীল।

উপেক্ষিত আদিবাসী এর ছবির ফলাফল

বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসনকালে সমতলের আদিবাসীরা সাঁওতাল হুল ও মুন্ডা বিদ্রোহের মতো সংগ্রামে সামিল হয়েছিলেন তাদের স্বাধিকার রক্ষা ও ভূমি অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। চিরায়ত বাংলার আর্থসামাজিক ব্যবস্থার সাথে গভীরভাবে যুক্ত এই মানুষগুলো। তাদের বিষয়টিকে ক্ষুদ্রভাবে দেখার কোন কারণ নেই। জাতিগতভাবে সংখ্যালঘু হওয়ার কারণেই তাদের অবজ্ঞা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ রাষ্ট্র জন্মের পিছনে আদিবাসীদের যে অবদান রয়েছে সে বিষয়টিও আলোচনার জন্য প্রাসঙ্গিক। দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আদিবাসীদের রয়েছে অপরিসীম ভূমিকা। উনিশশ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তাদের যে বিশাল অবদান রয়েছে তা আমরা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সাঁওতাল- গারো-হাজং-কোচ মুক্তিযোদ্ধাগণ সশস্ত্র সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন প্রমোদ মানকীন সাবেক মন্ত্রী, উত্তরবঙ্গের সাগারাম মাঝিএমএলএ। তারপরেও আদিবাসীদের এই অবদানের স্বীকৃতির বিষয়ে সীমাবদ্ধতা রয়েই যায়।

যাদের অবদানে এই বাংলাদেশ তারা সংবিধানের স্থান পেলেন আদিবাসী নয়, উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী হিসেবে পঞ্চদশ সংশোধনীতে সংবিধানের ২৩(ক) ধারায় দেশের জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী সম্পর্কে বলা হয়, “রাষ্ট্র বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।” তবে আমি মনে করি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জাতিগত স্বীকৃতি বিষয়টিও একদিন নিষ্পত্তি হবে। দেশের বিভিন্ন জাতিসত্তা বিভিন্ন সংস্কৃতি ধরে রাখা ও উন্নয়নের অধিকার রয়েছে এবং এর দায়িত্ব নিতে হবে রাষ্ট্রকেই। আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতিসহ তাদের মৌলিক অধিকার, ভূমি, ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় রাষ্ট্রকে উদ্যোগী হতে হবে যার প্রতিফলন থাকবে বাজেটে। আরেকটি বিষয় উল্লেখ্য মাতৃভাষায় আদিবাসীদের শিক্ষা কার্যক্রম তদারকিতে যাদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তারা বর্ণমালা বিতর্কের নামে এই কাজে বিলম্ব করছে। সমতলের বৃহত্তর সাঁওতাল আদিবাসী জনগোষ্ঠীর শিশুরা এখনও এই কার্যক্রমে যুক্ত হতে পারছেনা। এই ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবী জানাচ্ছি।

বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ১৯৯১ সালে দারিদ্রের হার যেখানে ছিল ৫৬.৭ শতাংশ, বর্তমানে তা ২২.৪ শতাংশে নেমে এসেছে। দেশের সকল মানুষের জীবনে এর প্রভাব পড়ছে কি, প্রান্তিক জনের উন্নয়ন হচ্ছে কি? সেই প্রেক্ষাপটে আদিবাসীরা সত্যিই উপেক্ষিত, আদিবাসী জীবনে উন্নয়নের প্রতিফলন একেবারেই নেই বলা চলে।
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাজেট বরাদ্দ হয়ে থাকে। উল্লেখ্য গতবছর সরকার সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী, ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন, দলিত, হরিজন, হিজরা, ভবঘুরে ও বেদে জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কার্যক্রম ইত্যাদি হাতে নিয়েছেন। গত বাজেটে তাদের জন্য বরাদ্দ ছিল ১৩৩ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা। এর বাইরে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তি আলাদা দেওয়া হয়েছে। জেন্ডার বাজেটের বিষয়টি ছিল। এবারো সেটি আছে।

বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর উপকার ভোগীর সংখ্যা ৩৬ হাজার থেকে ৬৪ হাজারে উন্নীত, এদের মধ্যে বিশেষ ভাতা ভোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার থেকে ৪০ হাজারে এবং শিক্ষা উপবৃত্তির সংখ্যা ১১ হাজার হতে ১৯ হাজারে উন্নীত প্রয়োজনের তুলনায় কম হলেও এটা অত্যন্ত প্রশংসনীয় পদক্ষেপ বলে আমি মনে করি। কোন জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের জন্য বাজেট বরাদ্দ বিষয়টি নিশ্চয়ই সেই জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের প্রতি সরকারের স্বদিচ্ছার বিষয়টি প্রকাশিত হয়।

উপেক্ষিত আদিবাসী এর ছবির ফলাফল
‘২০১০ থেকে ২০১৪ সালে বিগত বছরগুলোতে জাতীয় বাজেট বক্তৃতায় আদিবাসী/ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জনগণের জন্য ছোট্ট অনুচ্ছেদ থাকলেও গতবছরে এবং এ বছরের বাজেট বক্তৃতায় আদিবাসীদের স্থান হয়নি। গত বাজেটে মাননীয় অর্থ মন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় ৩৭ নং পৃষ্ঠায় একটি লাইন স্থান পেয়েছে এভাবে, “পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও তাঁদের সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র ধরে রাখার লক্ষ্যে এ অঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেব।”

সমতলের আদিবাসী, যারা আদিবাসীদের মোট জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ এবং যাদের সংখ্যা প্রায় ৩০ লক্ষ, তাদের সম্পর্কে একটি লাইনও গত বাজেট বক্তৃতার মত এবছরও ছিল না। সেকারণে গত বছরের মতো এ বছরের বাজেট বক্তৃতাও আদিবাসীদের হতাশ করেছে। জনসংখ্যার প্রায় ৪ শতাংশ আদিবাসী। যা জনসংখ্যার হিসেবে প্রায় ৩০ লক্ষাধিক। অবশ্যই আমি মনে করি এই সংখ্যা আরো অনেক বেশি। তার মধ্যে মোট আদিবাসীর দুই তৃতীয়াংশ অর্থাৎ প্রায় ২০ লক্ষাধিক সমতলের বসবাস করেন। কিন্তু তাদের জন্য বাজেট কি হচ্ছে। মাত্র ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল। আমরা দেখেছি একজন নাগরিকের বছরে ২১ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে সেটা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে অথচ সমতলের আদিবাসীদের জন্য সেটা মাত্র ১০০ টাকা। তাদের কি আমরা মানুষ বলে বিবেচনা করছি বলে মনে হয়?

২০১৪ সালের ১৬ জুন বাজেট অধিবেশন চলাকালীন সময়ে ‘আদিবাসী বিষয়ক সংসদীয় ককাস’ সংবাদ সম্মেলন করে সরকারকে অনুরোধ করেছিলো বাজেট সংশোধন ও সংযোজন করে আদিবাসীদের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে। সংসদীয় ককাস-এর আহŸায়ক হিসেবে আমি ব্যক্তিগতভাবে মাননীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আদিবাসীদের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে সুপারিশ করেছিলাম। তিনি লাল কলম দিয়ে লিখেও রেখেছিলেন। কিন্তু বাজেটে তার ইতিবাচক প্রতিফলন দেখা যায়নি।

তবে ২০১৫ সালের বাজেটে আদিবাসীদের জন্য বরাদ্দ বাড়ানোর দাবিতে ‘আদিবাসী বিষয়ক সংসদীয় ককাস’এর পক্ষ থেকে গোল টেবিল বৈঠকে বাজেট বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়া হয় এবং সমতলের আদিবাসীদের জন্য স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানানো হয়। সেই সাথে সমতল আদিবাসীদের বিষয়টি দেখার জন্য একটি আলাদা বিভাগ খুরে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত করার প্রস্তাব দেয়া হয়। আরো বলা হয় আদিবাসীদের জনসংখ্যাপনুপাতে বরাদ্দ দিতে হবে এবং আগামী বাজেটে কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিতে হবে। ২০১৫-১৬ বাজেট অধিবেশনে এই মহান জাতীয় সংসদে কমপক্ষে ২২ জন ককাস সদস্য আদিবাসীদের জন্য বাজেট বৃদ্ধির প্রস্তাব করেন তখন সমতলের আদিবাসীদের জন্য বাজেটে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। যার জন্য সাধুবাদ জানাই।

উপেক্ষিত আদিবাসী এর ছবির ফলাফল

গত অর্থ বছরে ২০১৬-১৭ বছরে বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লক্ষ ৪০ হাজার কোটি টাকা প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ কোটি টাকা। এ বছরের বাজেটের আকার আরও বিশাল। আমরা আশা করেছি আদিবাসীদের জন্য আলাদা বরাদ্দ থাকবে এবং বাজেট বক্তৃতাতেও আদিবাসী বিষয়ে একটি অনুচ্ছেদ/প্যারাগ্রাফ থাকবে যা পূর্বে ছিল। আদিবাসীদের জন্য উন্নয়নমূলক বরাদ্দ মূলত সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ের অধীন একটি কর্মসূচির মাধ্যমে দেওয়া হয়।

বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩টি জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ির জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমগ্র সমতল অঞ্চলের প্রায় ৪৮টি জেলার আদিবাসীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন বিশেষ কার্যাদি বিভাগ হতে এ বরাদ্দ প্রদান করা হয়। সমতলের প্রায় ৩০ লক্ষ আদিবাসীদের জন্য বাজেট বরাদ্দে সরকারের কোন সুনির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ নেই।

সমতলের আদিবাসীদের জন্য কয়েকটি দাবী তুলে ধরছি: 
১. জাতীয় বাজেটে পৃথক অনুচ্ছেদ যুক্ত করে আদিবাসী জনগণের উন্নয়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ রাখা।
২. বাজেট বক্তৃতায় আদিবাসী বিষয়ে বিবরণী রাখা জরুরী।
৩. আদিবাসী সাংস্কৃতিক একাডেমীগুলোতে আদিবাসী সংস্কৃতি উন্নয়নে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি গবেষণা খাতে বাজেট বাড়াতে হবে।
৪. উচ্চ শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষায় বৃত্তি সহ আদিবাসীদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য বাজেট বরাদ্দ।
৫. সমতলের আদাবাসিদের বিষয়টি দেখার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে আপাতত একটি পৃথক বিভাগ যুক্ত করে সংখ্যানুপাতিক আদিবাসী জনগণের জন্য উন্নয়নের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ রাখার দাবি ন্যায় সঙ্গত।