আগামী অক্টোবর মাসে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হবে

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৫:১১ অপরাহ্ণ, জুন ২০, ২০১৮ | আপডেট: ৫:১১:অপরাহ্ণ, জুন ২০, ২০১৮

আগামী অক্টোবর মাসে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর মাসে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে। আজ বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মন্ত্রী ঈদ পরবর্তী এক আলোচনা সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা জানিয়েছেন। নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা প্রসঙ্গে মন্ত্রীর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণার পরে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হবে।

 

তবে আগামী অক্টোবর মাসে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়টি অ্যাবসোলিউটলি প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তখন (নির্বাচকালীন সরকার) মন্ত্রিসভা ছোট হবে, এটা আমি বলতে পারি গতবারের অভিজ্ঞতা আছে, আবার আভাস-ইঙ্গিতও আছে কথায় কথায়। তখন ঢাউস মন্ত্রিসভার প্রয়োজন নেই। সেই সরকার শুধু রুটিন কাজ করবে। তখন মন্ত্রিসভা কোনো মেজর পলিসি ডিসিশন নিতে পারবে না। নির্বাচনে সিডিউল ঘোষণার পর মন্ত্রীরা কোনো কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে পারবেন না।’ ‘তখন নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচনী কাজ চলতে থাকবে। এটা গণতান্ত্রিক সব দেশেই আছে।’ বিএনপি আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশে কোনো আন্দোলন হবে না এটা জানি। কারণ, বিএনপির আন্দোলনে দেশের মানুষ সাড়া দেবে এমন কোনো বস্তুগত পরিস্থিতি দেশে বিরাজমান নেই। বিএনপিরও সাবজেক্টিভ প্রিপারেশন বা প্রস্তুতিমূলক কিছু নেই।

 

সাবজেক্টিভ প্রিপারেশন মানে সুসংগঠনগত প্রস্তুতি, সেটাও তাদের নেই। আবার অবজেক্টিভ কন্ডিশন হলো দেশের জনগণের মুড, সেখানেও কোনো অবস্থা নেই।’ সরকার কি তবে এবারও একতরফা নির্বাচনে যাবে- এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি না এলেই একতরফা নির্বাচন হয় এমন নয়। এবার বিএনপির জন্য অন্যেরা অপেক্ষা করবে না, বহু দল অংশ (নেবে)…এবার পার্টিসিপেশন অনেক বেশি। ইনক্লুসিভ নির্বাচন হবে। বিএনপিও তো বলেছে তারা আন্দোলনও করবে, নির্বাচনেরও প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাহলে অসুবিধা কী? একতরফা কেন হবে, বাংলাদেশে কি আর কোনো দল নেই? আপনি যাবেন না বলে কি অন্যরা আসবে না?’ ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি নেয়ার পরামর্শ দেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী। সড়ক ও মহাসড়কের পাশে কুরবানীর পশুর হাট না বসাতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হবে বলেও জানান মন্ত্রী। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘রাস্তার দায়িত্বে যারা আছেন তাদের বলব, বর্ষার ঘনঘটা এখনও আছে।

 

আবহাওয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী ভারী বর্ষণ মাঝে মাঝেই হবে, কন্টিনিউয়াসলিও হবে। কাজেই কুরবানীর ঈদের আগে ভারী বর্ষণের কারণে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যেটুকু মেরামত হয়েছে তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, সেই রকম আশঙ্কা যাতে না হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে এটা মনে করে যেখানে ছোট ছোট সমস্যা দেখা দেয়, সেখানে এখন থেকেই ট্রিটমেন্ট করতে হবে।’ কিছু কিছু ইঞ্জিনিয়ার কাজে ফাঁকি দেয় মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্লিজ আর ফাঁকি দেবেন না। মন্ত্রণালয়ের, রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের সুনাম হলে, এই সুনামের ভাগীদার আপনিও হবেন।’ ‘ঈদে যাত্রা যদি স্বস্তিদায়ক না হয় তাহলে প্রত্যেককে (মন্ত্রী থেকে কর্মচারী পর্যন্ত সবাইকে) গালি শুনতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা যে রাস্তায় একেবারে শান্তি দিতে পেরেছি তা ঠিক নয়, স্বস্তিদায়ক হয়েছে। দ্যাট ইজ ভেরি ইম্পর্টেন্ট। মানুষ সাম সর্ট অব রিলিভ চায়। অতিরিক্ত চায় না। রাস্তায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা যেন আটকে থাকতে না হয়।’ এ সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব নজরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।