বাবুগঞ্জে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই চলছে অবাধে জাটকা নিধন!!

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৫:৪৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৪, ২০১৭ | আপডেট: ৫:৪৩:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৪, ২০১৭
বাবুগঞ্জে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই চলছে অবাধে জাটকা নিধন!!

বাবুগঞ্জে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই চলছে অবাধে জাটকা নিধন!! ব্যবস্থা নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ

আরিফ হোসেন, বাবুগঞ্জ ॥ ১লা নভেম্বর থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত জাটকা আহরন,ক্রয়,বিক্রয় ও পরিবহনের উপর মৎস্য অধিদপ্তরের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গাফেলতির কারনে মানছেনা কেউ। বাবুগঞ্জ উপজেলার হাট-বাজার ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিক্রয় করা হচ্ছে ৯ ইঞ্চি বা তার চেয়ে ছোট ইলিশ। উন্মুক্ত ভাবে জাটকা ক্রয়, বিক্রয়,নিধন হলেও চুপ রয়েছে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর ও পুলিশ। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে মীরগঞ্জ বাজার,বাবুগঞ্জ বাজার,রহমতপুর বাজর,কেদারপুর খেয়া ঘাট,আগরপুর সহ কয়েকটি বাজারে অবাধে চলছে ক্রয় বিক্রয়। ফেরি করে গ্রামে গ্রামে বিক্রি করছে জাটকা। চাঁদপাশা এলাকায় ফেরি করতে যাওয়া একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রতিদিন সকালে মীরগঞ্জ বাজারের আরৎদার জেলানী ও হেমাঙ্গীর কাছ থেকে পাইকারি মূল্যে জাটকা কিনে গ্রামে এসে বিক্রি করি। এরকম ৮/১০জন তাদের কাছ থেকে মাছ ক্রয় করে গ্রামে গিয়ে বিক্রি করে থাকে। গত সোমবার রাতে মীরগঞ্জ বাজারে গিয়ে দেখা গেছে উন্মুক্ত ভাবেই কেজি প্রতি ১৫০-২০০টাকা দরে বিক্রয় হচ্ছে জাটকা। সুধি সমাজের লোকেরা বলছেন এভাবে চলতে থাকলে মা ইরিশ রক্ষার নামে সরকারের নেয়া পদক্ষেপ ভেস্তে যাবে। সূত্র জানায়, সুগন্ধা,সন্ধা ও আরিয়াল খা নদীতে অবৈধ্য কারেন্ট জাল দিয়ে ধরা হয় ঝাঁকে ঝাঁকে জাটকা এবং ধরা পরা জাটকা গুলো আরৎদারদের মাধ্যমে পৌঁছে দেয়া হয় ভোক্তাদের কাছে। বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বলেন, এব্যাপারে শিঘ্রই পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছি। উপজেলা প্রশাসন চাইলে অভিযান পরিচালনায় আমরা তাদের সাহাজ্য করবো। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান খান বলেন, মৎস্য কর্মকর্তার কাছ থেকে বিষয়টি জেনে প্রয়োজনে অভিযান করবো। উল্লেখ্য জাটকা মাছ বড় ইলিশে পরিনত করার লক্ষে ১লা নভেম্বর থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত দীর্ঘ ৮ মাস আহরন,ক্রয়,বিক্রয় ও পরিবহনের উপর মৎস্য অধিদপ্তর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এবং প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে জাটকা রক্ষায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে।